কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের আগে অস্বস্তিতে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। দেবের ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগ উঠেছে সহকারী রমাপদ মান্নার বিরুদ্ধে। মামলাকারীর অভিযোগ, আশাকর্মীর চাকরির জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা চান। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তবে তারপরও চাকরি পাননি। এরপরই পুলিশেপ দ্বারস্থ হন বলে দাবি মামলাকারীর। কিন্তু সেখানে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি করেন মামলাকারী। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে আগামী শুক্রবার শুনানির সম্ভবানা রয়েছে।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসের ঘটনা বলে দাবি অভিযোগকারীর। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের আশাকর্মী পদে চাকরির জন্য় টাকা দিয়েছিলেন তিনি। বিপুল টাকা দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তিকে। কিন্তু চাকরি তো পানইনি, উল্টে টাকাও ফেরত পাননি। যদিও অভিযুক্তের বক্তব্য ছিল, তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহালই নন। এমনকী গঙ্গেশ সাঁতরা নামে অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না বলেও দাবি করেছিলেন।
যদিও এই অভিযোগ সামনে আসার পরই দেবকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, তদন্ত হবে। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দোষী নিশ্চয়ই শাস্তিও পাবেন। এবার সেই অভিযোগ নিয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিযোগকারী।
কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের আগে অস্বস্তিতে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। দেবের ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগ উঠেছে সহকারী রমাপদ মান্নার বিরুদ্ধে। মামলাকারীর অভিযোগ, আশাকর্মীর চাকরির জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা চান। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তবে তারপরও চাকরি পাননি। এরপরই পুলিশেপ দ্বারস্থ হন বলে দাবি মামলাকারীর। কিন্তু সেখানে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি করেন মামলাকারী। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে আগামী শুক্রবার শুনানির সম্ভবানা রয়েছে।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসের ঘটনা বলে দাবি অভিযোগকারীর। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের আশাকর্মী পদে চাকরির জন্য় টাকা দিয়েছিলেন তিনি। বিপুল টাকা দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তিকে। কিন্তু চাকরি তো পানইনি, উল্টে টাকাও ফেরত পাননি। যদিও অভিযুক্তের বক্তব্য ছিল, তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহালই নন। এমনকী গঙ্গেশ সাঁতরা নামে অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না বলেও দাবি করেছিলেন।
যদিও এই অভিযোগ সামনে আসার পরই দেবকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, তদন্ত হবে। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দোষী নিশ্চয়ই শাস্তিও পাবেন। এবার সেই অভিযোগ নিয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিযোগকারী।