
কলকাতা: আরজিকর তদন্ত নিয়ে বারবার যখন প্রশ্ন তুলছে পরিবার, সেই সময় পদোন্নতি পেলেন সিবিআই তদন্তকারী অফিসার। সীমা পাহুজা পুলিশ সুপার পদে উন্নীত হলেন। আর জি কর মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগের সময় সীমা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর পদোন্নতি হয়। সীমা চণ্ডীগড় এন্টি করাপশন ব্রাঞ্চে যুক্ত ছিলেন। পদোন্নতির পর তাঁকে দিল্লিতে স্পেশ্যাল ক্রাইম ব্রাঞ্চে (১) বদলি করা হয়েছে। তবে আরজি কর মামলায় তদন্তের দায়িত্বেই রাখা হয়েছে সীমাকে।
সীমার নেতৃত্বে তদন্ত নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। তদন্তের জন্য দু’বার গোল্ড মেডেল পেয়েছেন সীমা। কেবলমাত্র আরজি কর মামলা নয়, তাঁর আগে হাথরাস মামলার তদন্তে সিবিআই যে টিম গঠন করেছিল, তার নেতৃত্বেও ছিলেন সীমা পাহুজা। সে সময়ে তিনি উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের সিবিআই ইউনিটের দুর্নীতি দমন ব্যুরো অর্থাৎ এসিবি-তে কর্মরত ছিলেন। সিবিআই-এর অন্দরে সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে সীমা পাহুজার।
কিন্তু আরজি কর মামলায় সিবিআই তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন তিলোত্তমার বাবা-মা। ক্ষোভ উগরে দিয়েছে সিবিআই-এর ভূমিকায়। কেন এখনও এই তদন্তের কোনও অগ্রগতি হল না, আসল অপরাধী কি সঞ্জয় রাই একাই, সেটা নিয়েও এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা। এই মামলার সমাধান সূত্র এখনও অধরা। তার মধ্যে তদন্তকারী অফিসারের পদোন্নতি। যদিও সিবিআই সূত্রে খবর, এটা রুটিন প্রক্রিয়া।