Election Commission: গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি CEO-র, কেন?

রাজ্যে এখন সব জেলায় এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া চলছে। তার মধ্যে গঙ্গাসাগর মেলা। রাজ্যের ক্ষেত্রে এই মামলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই, ভিন রাজ্য থেকেও লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমান এই মেলায়। ওই এলাকার আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়, প্রশাসনিক আধিকারিকরা তৎপর থাকেন।

Election Commission: গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি CEO-র, কেন?
মুখ্যসচিবকে চিঠি CEO-রImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 06, 2026 | 5:45 PM

কলকাতা:  গঙ্গাসাগর মেলার কাজে যাতে অন্য জেলা থেকে আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়, সেবিষয়ে এবার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে আবেদন জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যাতে শুনানিতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই কারণেই এমনই আর্জি কমিশনের। সমস্ত জেলাশাসক অর্থাৎ জেলা নির্বাচনী অধিকারীকদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। দিল্লি থেকেই থাকবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। এই রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী, নির্বাচন কমিশনের আইটি র ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্না।

রাজ্যে এখন সব জেলায় এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া চলছে। তার মধ্যে গঙ্গাসাগর মেলা। রাজ্যের ক্ষেত্রে এই মামলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই, ভিন রাজ্য থেকেও লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমান এই মেলায়। ওই এলাকার আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়, প্রশাসনিক আধিকারিকরা তৎপর থাকেন। এদিকে, আবার শুনানির জন্যও ব্যস্ত আধিকারিকরা। তারমধ্যেও মেলার প্রস্তুতি। ফলে সেক্ষেত্রে প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাজের ব্যাপারে সমস্যা হতে পারে। যাতে অন্য জেলা থেকে আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়, সেবিষয়ে এবার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে আবেদন জানালেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

এদিকে,সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন CEC জ্ঞানেশ কুমার। এবার থেকে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট। জেলা ভিত্তিক রিপোর্ট নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই রাজ্যে আগামী দিনে মোট কটা স্পর্শকাতর বুথ হবে, এই জায়গাগুলোতে মোট কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।