কলকাতা: স্ট্রংরুমের সামনে সম্মুখ-সমরে তৃণমূল-বিজেপি। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মুখোমুখি যুযুধান দুই শিবির। ‘বহিরাগত’ তত্ত্বে সরগম গোটা এলাকা। ক্ষদিরাম অনুশীলনের বাইরে ১ ঘণ্টা ধরনা শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষের। বাইরে বের হতেই তুমুল বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের। ঘটনাস্থলে তাপস রায়, সন্তোষ পাঠক। কেন তৃণমূলকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। শুধু কর্মী-সমর্থকরা নয়, দুই শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূল সূত্রের খবর, অন্যদিকে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে চলে গিয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই ভবানীপুর বিধানসভা ২৬৭টি পোলিং স্টেশনের ইভিএম বিতরণ হয়েছিল। এখানেই স্ট্রংরুমে রয়েছে ভোট শেষের পর আনা ইভিএমগুলি। প্রসঙ্গত, এদিনই স্ট্রংরুমে ইভিএম বদলের আশঙ্কা করেছিলেন মমতা। পাহারা দেওয়ার জন্য কর্মীদের ডাকও দেন। তারপরেই এ ঘটনায় স্বভাবতই শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক আঙিনায়। সূত্রের খবর, ৮টা নাগাদ শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে আসেন মমতা। এদিকে এই খবর পাওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর এজেন্ট এখানে আসেন। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো বচসা শুরু হয়ে যায় বলে খবর।
ছুটে আসেন ফিরহাদ হাকিমও। যদিও তিনি বলছেন, “আমি শুনে এসেছিলাম। গেটের ভিতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে পর্যন্ত থাকা যাচ্ছে। আমাকে ঢুকতেই দেয়নি।” প্রসঙ্গত, এদিনই আবার মমতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, ইভিএম এবং গণনা প্রক্রিয়ার উপর সর্বক্ষণ নজর রাখা। প্রতিটি প্রার্থী, প্রতিটি এজেন্ট এবং প্রতিটি কর্মীকে আমি অনুরোধ করছি, স্ট্রং রুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করুন। কোনও অবস্থাতেই অবহেলা করবেন না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ টেবিল ছেড়ে উঠবেন না। প্রয়োজনে বিশ্বস্ত কাউকে দায়িত্ব দিয়ে তবেই সাময়িক বিরতি নেবেন। আমি নিজেও প্রয়োজনে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকব। আমি যদি পাহারা দিতে পারি, আপনারাও পারবেন। এত কষ্ট যখন করেছেন, তখন বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।”
কলকাতা: স্ট্রংরুমের সামনে সম্মুখ-সমরে তৃণমূল-বিজেপি। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মুখোমুখি যুযুধান দুই শিবির। ‘বহিরাগত’ তত্ত্বে সরগম গোটা এলাকা। ক্ষদিরাম অনুশীলনের বাইরে ১ ঘণ্টা ধরনা শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষের। বাইরে বের হতেই তুমুল বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের। ঘটনাস্থলে তাপস রায়, সন্তোষ পাঠক। কেন তৃণমূলকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। শুধু কর্মী-সমর্থকরা নয়, দুই শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূল সূত্রের খবর, অন্যদিকে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে চলে গিয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই ভবানীপুর বিধানসভা ২৬৭টি পোলিং স্টেশনের ইভিএম বিতরণ হয়েছিল। এখানেই স্ট্রংরুমে রয়েছে ভোট শেষের পর আনা ইভিএমগুলি। প্রসঙ্গত, এদিনই স্ট্রংরুমে ইভিএম বদলের আশঙ্কা করেছিলেন মমতা। পাহারা দেওয়ার জন্য কর্মীদের ডাকও দেন। তারপরেই এ ঘটনায় স্বভাবতই শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক আঙিনায়। সূত্রের খবর, ৮টা নাগাদ শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে আসেন মমতা। এদিকে এই খবর পাওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর এজেন্ট এখানে আসেন। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো বচসা শুরু হয়ে যায় বলে খবর।
ছুটে আসেন ফিরহাদ হাকিমও। যদিও তিনি বলছেন, “আমি শুনে এসেছিলাম। গেটের ভিতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে পর্যন্ত থাকা যাচ্ছে। আমাকে ঢুকতেই দেয়নি।” প্রসঙ্গত, এদিনই আবার মমতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, ইভিএম এবং গণনা প্রক্রিয়ার উপর সর্বক্ষণ নজর রাখা। প্রতিটি প্রার্থী, প্রতিটি এজেন্ট এবং প্রতিটি কর্মীকে আমি অনুরোধ করছি, স্ট্রং রুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করুন। কোনও অবস্থাতেই অবহেলা করবেন না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ টেবিল ছেড়ে উঠবেন না। প্রয়োজনে বিশ্বস্ত কাউকে দায়িত্ব দিয়ে তবেই সাময়িক বিরতি নেবেন। আমি নিজেও প্রয়োজনে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকব। আমি যদি পাহারা দিতে পারি, আপনারাও পারবেন। এত কষ্ট যখন করেছেন, তখন বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।”