Asha Worker’s Movement: ‘নিজে আসুন’, শুভেন্দুর পাঠানো খাবার ফিরিয়ে আশাকর্মীদের বেগুনি বার্তা

Asha Worker's Movement: রাতভর ট্রেনে এসে আশাকর্মীদের একাংশ অভিযান তো দূর, গন্তব্য অর্থাৎ স্বাস্থ্যভবন পর্যন্ত পৌঁছতেই পারলেন না। শিয়ালদহ স্টেশনেই পুলিশ আটকে দিল তাঁদের। প্ল্যাটফর্মে বসেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। আর এদিকে, যাঁরা পৌঁছে যান, তাঁদের জন্য পুলিশ প্রস্তুত রেখেছিল লোহার দুর্গ! পুলিশের সঙ্গে আশাকর্মীদের ধস্তাধস্তি!

Asha Workers Movement: নিজে আসুন, শুভেন্দুর পাঠানো খাবার ফিরিয়ে আশাকর্মীদের বেগুনি বার্তা
আজ উত্তাল শহর!Image Credit source: TV9 Bangla

Jan 21, 2026 | 2:50 PM

কলকাতা: রাজপথ আজ বেগুনি রঙের দখলে! আশাকর্মীদের বিক্ষোভে ক্রমেই চড়ছে উত্তাপ। উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাত থেকে আসা শুরু করেছেন আশাকর্মীরা। স্বাস্থ্য়ভবন অভিযান কর্মসূচি তাঁদের পূর্ব ঘোষিত। কিন্তু সেই কর্মসূচি ঘিরেই আরও এক লজ্জার ছবি দেখল কলকাতা! রাতভর ট্রেনে এসে আশাকর্মীদের একাংশ অভিযান তো দূর, গন্তব্য অর্থাৎ স্বাস্থ্যভবন পর্যন্ত পৌঁছতেই পারলেন না। শিয়ালদহ স্টেশনেই পুলিশ আটকে দিল তাঁদের। প্ল্যাটফর্মে বসেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। আর এদিকে, যাঁরা পৌঁছে যান, তাঁদের জন্য পুলিশ প্রস্তুত রেখেছিল লোহার দুর্গ! পুলিশের সঙ্গে আশাকর্মীদের ধস্তাধস্তি! বিক্ষোভকারীদের জন্য খাবার পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই খাবার মুখে তোলেননি আশাকর্মীরা। বরং আশাকর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীকে এসে তাঁদের বক্তব্য শোনার কথা বলেন আশা কর্মীরা। এখনও পর্যন্ত আশাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেননি শুভেন্দু। তিনি সামাজিক মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে পোস্ট করেন।

শুভেন্দু বলেন, “বর্বরোচিত সরকার। অমানবিক প্রশাসন, গণতন্ত্র বিপন্ন, মাতৃশক্তি লাঞ্ছিত-আক্রান্ত। রাজ্যে অত্যাচার চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। অধিকার চেয়ে আওয়াজ তুললে রাজদ্রোহ বলা হচ্ছে। এমন দমন পীড়ন ইংরেজ আমলেও হত না। ”

এদিকে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান শুনতে হয়। এদিকে, সকালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশাকর্মীদের উদ্দেশে মন্তব্য বলেছিলেন,  “আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কেউ আপনাদের ব্যবহার করতে চাইলে সেই ফাঁদে পা দেবেন না। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আপনারা হয়তো তাঁদের কিছু চাঁদাও দেন বলে শুনেছি। সঠিক জানি না। শুনেছি।”