
কলকাতা: নতুন প্রজন্মকে সামনে এনেও সংখ্যাতত্ত্বের প্রথম অঙ্কটাই টপকাতে পেরোতে পারেনি বামেরা। এবার ২৮ আসনে জামানাত জব্দ বামেদের। মাত্র ২টি আসনে জামানাত বাঁচিয়ে মুখ রক্ষা বামেদের। মুর্শিদাবাদে জামানাত রক্ষা করতে পেরেছেন মহম্মদ সেলিম ও দমদম লোকসভায় সুজন চক্রবর্তী জামানাত রক্ষা করতে পেরেছেন।
পুরনো স্ট্র্যাটেজি ভেঙে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এক গুচ্ছ তরুণ মুখ সামনে এনেছিল বামেরা। সৃজন, দীপ্সিতা, সায়নদের নিয়ে প্রচারেও উচ্ছ্বাস কম দেখা যায়নি। মানুষের সাড়াও মিলেছিল ব্যাপক, অন্তত তেমনটাই বলেছিলেন বাম নেতৃত্ব। কিন্তু ফলে সে প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। মাথা তুলে দাঁড়াতে পারল না বামেরা। একটি আসনও পেল না। এবারের লোকসভা নির্বাচনে মোট ৩০টা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বামেরা। তার মধ্যে মাত্র দুটিতেই জামানাত রক্ষা করতে পেরেছে। সিপিএম নেতৃত্বের অবশ্য বক্তব্য, বড় যে কোনও ভোট অর্থাৎ লোকসভা হোক কিংবা বিধানসভা ভোটে মেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সে কারণ তারা ভাল ফল করতে পারছে না। স্থানীয় ভোটে তারা ভালো ফল করতে পারছে। মেরুকরণ না ভাঙতে পারলে হাল ফিরবে না বলেও মনে করছে বাম নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত, প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেই প্রার্থী হতে গেলে প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জামানত রাখতে হয়। সেই অঙ্কটা প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে আলাদা হয়। লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ২৫ হাজার টাকা ও এসসি-এসটি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১২,৫০০ টাকা করে দিতে হয়। সেই টাকা ফেরত পেতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভোট পেতে হয়। শতাংশের বিচারে তা ১৬.৬৬ শতাংশ। সিপিএমের ক্ষেত্রে ২ জন বাদ দিয়ে কোনও প্রার্থীই তা পাননি।