CGO Complex Security: আইপ্যাক-কাণ্ডের পরেই নিরাপত্তা বাড়ল ইডি দফতরের, মোতায়েন বাহিনী
ED Raid in I-PAC office: শাহের দফতর সূত্রে খবর, বর্তমানে ইডির অধীনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত চলছে। সেগুলির প্রয়োজনীয় নথি, গোপন নথি — সবটাই জমা পড়েছে এই সিজিও দফতরেই। তাই সেই নথিগুলির কথা মাথায় রেখেই বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে মোতায়েন হয়েছে বাহিনী।

কলকাতা: সিবিআই গিয়েছে নিউটাউনে। এখন সিজিও কমপ্লেক্স হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ঠিকানা। সিবিআই-বিদায়ের পর সেখানে মোতায়েন ছিল না কোনও আধাসেনা। প্রহরী হয়েছিল নিরাপত্তা প্রদানকারী একটি বেসরকারি সংস্থা। কিন্তু আইপ্যাক-কাণ্ডের পরেই সেই সিজিও-র নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বেসরকারি সংস্থা নয়, অবশেষে মোতায়েন সিআরপিএফ বাহিনী। অবশ্য, বাহিনী মোতায়েন এবং আইপ্যাকের অফিসে হওয়া ‘সংঘাতের’ সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়নি। গোটা ব্যাপারটাই যেন সমাপতন।
শাহের দফতর সূত্রে খবর, বর্তমানে ইডির অধীনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত চলছে। সেগুলির প্রয়োজনীয় নথি, গোপন নথি — সবটাই জমা পড়েছে এই সিজিও দফতরেই। তাই সেই নথিগুলির কথা মাথায় রেখেই বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে মোতায়েন হয়েছে বাহিনী। এই সিজিও কমপ্লেক্সে প্রবেশের জন্য মোট দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। বর্তমানে এই দু’টি গেটে ছ’জন করে মোতায়েন করা হয়েছে মোট ১২ জনকে।
সম্প্রতি এই বাহিনী মোতায়েনের কথা মাথায় রেখেই বৈঠকে বসেছিলেন ইডি ও সিআরপিএফ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তারা। সেই বৈঠকেই নিরাপত্তা প্রদানকারী বেসরকারি সংস্থা দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে আধাসেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাও আবার একেবারে আইপ্য়াক-কাণ্ড এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাইল ‘ছিনিয়ে’ নিয়ে যাওয়ার মতো বিতর্কিত ঘটনার পর।
প্রতিবেশীদের তলব
তৃণমূলের নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্য়াকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বিরুদ্ধে তদন্তে প্রতিবেশীদের তলব করল ইডি। লাউডন স্ট্রিটে বাড়ি প্রতীকের। ওই আবাসনের অন্যান্য আবাসিক এবং পাশের আবাসনের বাসিন্দাদেরও তলব করেছে ইডি। সূত্রের খবর, ইডি তল্লাশিতে যাওয়ার পর আবাসনের বাসিন্দারা কী শুনেছিলেন, তল্লাশিতে আসার পর থেকে অফিসারদের গতিবিধি কী ছিল, আর কারা ঢুকেছিলেন, কাদের দেখা গিয়েছিল — এই সকল তথ্যই জানতে চাওয়া হয়েছে প্রতীকের প্রতিবেশীদের কাছে।
