ডায়েট করতে গিয়ে অজ্ঞান…ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা স্বীকার করলেন করণ
করণ জোহর জানান, ছোটবেলায় তাঁর বাবা মনে করতেন তিনি শুধু ‘পাপি ফ্যাট’-এ ভুগছেন, যা বড় হলে আপনাআপনি চলে যাবে। কিন্তু তাঁর মা বরাবরই তাঁকে ওজন বেশি হওয়ার কথা শুনিয়ে দিতেন। করণ বলেন,“বাবা আমার ব্যাপারে পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণায় ছিলেন। তিনি ভাবতেন আমার শুধু পাপি ফ্যাট হয়েছে, এটা চলে যাবে, ছেলেটা কত সুন্দর। কিন্তু আমার মা একেবারেই একমত ছিলেন না। তিনি বলতেন, ‘এ কী বলছ, যশ? ও তো ভীষণ মোটা!’

করণ জোহর জানান, ছোটবেলায় তাঁর বাবা মনে করতেন তিনি শুধু ‘পাপি ফ্যাট’-এ ভুগছেন, যা বড় হলে আপনাআপনি চলে যাবে। কিন্তু তাঁর মা বরাবরই তাঁকে ওজন বেশি হওয়ার কথা শুনিয়ে দিতেন। করণ বলেন,“বাবা আমার ব্যাপারে পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণায় ছিলেন। তিনি ভাবতেন আমার শুধু পাপি ফ্যাট হয়েছে, এটা চলে যাবে, ছেলেটা কত সুন্দর। কিন্তু আমার মা একেবারেই একমত ছিলেন না। তিনি বলতেন, ‘এ কী বলছ, যশ? ও তো ভীষণ মোটা!’ বাবা চাইতেন আমি নায়ক হই, আর মা চোখ উলটে বলতেন—এর পক্ষে নায়ক হওয়া সম্ভবই না, হওয়াও উচিত না। মা সব সময়ই আমাকে বাস্তবটা দেখিয়ে দিতেন। পাঞ্জাবি মায়েরা সব সময় ভ্রান্ত ধারণায় থাকেন না।”
করণ আরও জানান, কলেজে পড়ার সময়ই প্রথম তিনি ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নেন। কলেজে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর তুলনায় “সবাই অনেক বেশি রোগা”, যা তাঁকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। এই চলচ্চিত্র নির্মাতা আরও শেয়ার করেন যে, অতীতে তিনি বহুবার জেনারেল মোটরস ডায়েট অনুসরণ করেছেন এবং একবার অ্যাটকিন্স ডায়েট (উচ্চ প্রোটিন ডায়েট) করার সময় অজ্ঞানও হয়ে গিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, “আমি তখন অ্যাটকিন্স ডায়েট করছিলাম। একবার টানা এক মাস করার পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। এখনও মনে আছে, কলেজে অ্যাকাউন্টস ক্লাস চলাকালীন আমি অজ্ঞান হয়ে যাই, কারণ আমি এই ডায়েটে ছিলাম। ওটাই ছিল সেই ডায়েটের শেষ। মা সেটি নিষিদ্ধ করে দেন, যদিও তিনি জানতেনই না আমি এই ডায়েট করছিলাম। এটা ছিল পুরোপুরি উচ্চ প্রোটিন ডায়েট—শুধু প্রোটিন। আপনি নয়টা ডিম দিয়ে চিজ অমলেট খেতে পারতেন, শুধু প্রোটিন—না রুটি, না কিছুই। ভাজা চিকেন খাওয়া যেত, কিন্তু ডায়েটটা ছিল ভীষণ কঠোর।”
এসব নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করার পর করণ ইদানীং অন্যভাবে ডায়েট সাজান। তবে তিনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। অনেকের আবার বক্তব্য, পরিচালক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রোগা হওয়ার চেষ্টায় মেতে রয়েছেন।
