Saradha Case: সারদার আরও একটি মামলায় জামিন দেবযানীর, জেলমুক্তি কবে?

Debjani Mukherjee: সারদা চিটফান্ড সংস্থার অন্যতম কর্ত্রী ছিলেন দেবযানী। বলা যেতে পারে সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড। ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর দেবযানী সাধারণ কর্মী থেকে হয়ে উঠেছিলেন অন্যতম ডিরেক্টর। সারদার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চিটফান্ডের কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের একেবারে পাশেই বসে থাকতে দেখা যেত তাঁকে। ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল সারদা কেলেঙ্কারিতে সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, "একজন ডুবন্ত জাহাজের নাবিককে আমি ছেড়ে আসতে পারিনি।"

Saradha Case: সারদার আরও একটি মামলায় জামিন দেবযানীর, জেলমুক্তি কবে?
দেবযানী মুখোপাধ্যায় (ফাইল ফোটো)

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 13, 2026 | 9:15 PM

কলকাতা: সারদা কেলেঙ্কারির এক যুগের বেশি কেটে গিয়েছে। এবার সারদার আরও একটি মামলায় জামিন পেলেন অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়। ব্যাঙ্কশাল আদালতে জামিন পেলেন তিনি। তবে এখনই জেলমুক্তি ঘটছে না দেবযানী। এই মামলায় অবশ্য জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের।

২ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ করেছিল সেবি। এই মামলায় মোট ২২ জন অভিযুক্ত ছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম সুদীপ্ত সেনের জামিন এদিন খারিজ করেছে আদালত। তবে দেবযানীকে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। এদিন এই মামলায় জামিন পেলেও এখনই জেলমুক্তি হচ্ছে না দেবযানীর। ভিনরাজ্যের এখনও ৬টি মামলায় জামিন বাকি তাঁর। দেবযানীর আইনজীবী অভিজিৎ বল জানান, ওই মামলাগুলিতে জামিন পেলে জেল থেকে ছাড়া পাবেন তাঁর মক্কেল।

সারদা চিটফান্ড সংস্থার অন্যতম কর্ত্রী ছিলেন দেবযানী। বলা যেতে পারে সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড। ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর দেবযানী সাধারণ কর্মী থেকে হয়ে উঠেছিলেন অন্যতম ডিরেক্টর। সারদার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চিটফান্ডের কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের একেবারে পাশেই বসে থাকতে দেখা যেত তাঁকে। ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল সারদা কেলেঙ্কারিতে সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, “একজন ডুবন্ত জাহাজের নাবিককে আমি ছেড়ে আসতে পারিনি।” কাশ্মীরের শোনমার্গ থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।

তবে সাত বছর জেলে থাকার পর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেবযানীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। অভিযোগ, দেবযানী নিজের বোনকে ডাক্তারি পড়াতে বেসরকারি কলেজে ভর্তি করানোর জন্য সুদীপ্তকে চাপ দিয়ে চেক ও নগদ মিলিয়ে এক কোটি টাকা নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লেখা চিঠিতে সারদা কর্তা এই অভিযোগ আনেন।

Follow Us