Election Commission: বাংলো-বিতর্কে কড়া অবস্থান কমিশনের, বদলির চিঠি পাওয়া জেলাশাসকদের দেওয়া হল ২২ তারিখের আল্টিমেটাম
Election Commission Directives: কমিশন সূত্রে খবর, সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া বেশ কয়েকজন নতুন জেলাশাসক একদিন আগেই সিইও দফতরে গিয়ে একটি অভিনব অভিযোগ জানান। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচনের কাজে তাঁরা হাত দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সরকারি বাসভবনটি এখনও ছাড়েননি সদ্য বদলি হওয়া জেলাশাসকরা।

কলকাতা: একের পর এক বদল। একেবারে নবান্ন থেকে জেলাস্তর, ভোট ঘোষণা হতেই একঝাঁক আইএএস, আইপিএস-দের বদলে দিয়েছে কমিশন। অনেককেই আবার পাঠানো হয়েছে ভিন রাজ্যে পর্যবেক্ষক করে। আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজ্য প্রশাসনে এই রদবদল নিয়ে এমনিতেই সরগরম রাজনীতি। এত বিপুল সংখ্যায় আধিকারিকদের কেন বদলি করা হচ্ছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে সদ্য বদলি হওয়া জেলাশাসকদের সরকারি বাংলো না ছাড়া নিয়ে এবার নয়া বিতর্ক। এই বিষয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ২২ মার্চের মধ্যে প্রাক্তন জেলাশাসকদের ছাড়তে হবে বাংলো। নির্দেশ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)।
কমিশন সূত্রে খবর, সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া বেশ কয়েকজন নতুন জেলাশাসক একদিন আগেই সিইও দফতরে গিয়ে একটি অভিনব অভিযোগ জানান। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচনের কাজে তাঁরা হাত দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সরকারি বাসভবনটি এখনও ছাড়েননি সদ্য বদলি হওয়া জেলাশাসকরা। এই অভিযোগ শুনে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, মালদহ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ বেশ কয়েকটি জেলার ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। বদলি হওয়ার পরেও প্রাক্তন জেলাশাসকরা বাংলো আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি নজরে আসার পরই কড়া অবস্থান নেন সিইও। জেলাশাসকদের বৈঠকে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, আগামী ২২ মার্চের মধ্যেই আবশ্যিকভাবে বাংলোগুলি খালি করতে হবে। কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, জেলাশাসকের বাংলোটি শুধুমাত্র তাঁর বাসভবন নয়, ক্ষেত্রবিশেষে তা তাঁর কার্যালয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। তাই নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই বাংলো কোনওভাবেই আটকে রাখা যাবে না।
