LPG সিলিন্ডারে দামের ছ্যাঁকা! রান্নাঘরে ঢুকে গেল মধ্যপ্রাচ্যের আগুন
Middle Eastern Conflict Led Sharp Rise in LPG: এদিকে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা তৈরির পরেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেছিলেন, ‘‘বর্তমানে সরকারের কাছে যথেষ্ট তেল মজুত রয়েছে।’’ কিন্তু আচমকা গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জেরে চিন্তা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে পেট্রল-ডিজেলের দাম নিয়েও। যুদ্ধের জেরে যদি রান্নাঘরে প্রভাব পড়তে পারে, তা হলে জ্বালানি তো কোন ছাড়।

নয়াদিল্লি: রান্নাঘরে ঢুকে পড়ল মধ্যপ্রাচ্য়ের যুদ্ধ। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার পর থেকে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এবার তাতেই যেন সিলমোহর পড়ল। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের জেরে দেশের গ্যাস ও পেট্রোপণ্যের বাজারে চাপ পড়বে না বলেই বারংবার দাবি করেছিল মোদী সরকার। কিন্তু তারপরেও দিনশেষে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। শনিবার থেকে আরোপ হল নতুন দর।
এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বেড়ে গেল গৃহস্থের এলপিজি গ্যাসের দাম। কমার্শিয়াল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ১১৫ টাকা। ফলত আখেড়ে চাপ পড়ল আমজনতার পকেটে। ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন সূত্রে খবর, এই দাম বৃদ্ধির ফলে কলকাতায় আজ থেকেই গ্রাহকদের ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হবে ৯৩৯ টাকা। অন্যদিকে হোটেল, রেস্তরাঁর রান্নায় ব্যবহৃত ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হবে ১ হাজার ৯৯০ টাকা।
এদিকে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা তৈরির পরেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেছিলেন, ‘‘বর্তমানে সরকারের কাছে যথেষ্ট তেল মজুত রয়েছে।’’ কিন্তু আচমকা গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জেরে চিন্তা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে পেট্রল-ডিজেলের দাম নিয়েও। যুদ্ধের জেরে যদি রান্নাঘরে প্রভাব পড়তে পারে, তা হলে জ্বালানি তো কোন ছাড়। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, পরিস্থিতি আগের তুলনায় স্বাভাবিক না-হলে দিন কয়েকের মধ্যে পেট্রল-ডিজেলের দামেও পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। যদিও এই ধরনের এখনও পর্যন্ত আশঙ্কায় সিলমোহর দিচ্ছে না কেন্দ্র।
জোগান বজায় রাখতে নীতি-বদল
জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে চলবে কীভাবে? দাম বাড়লেই বা কিনবেন কীভাবে? এই রকম একাধিক প্রশ্নই ঘিরে ধরেছে আমজনতাকে। পেট্রো-পণ্যের বাজারে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তায় আতঙ্কিত অনেকেই। আগেভাগেই সতর্কতা অবলম্বনে ব্য়স্ত তারা। এই আবহেই বড় সিদ্ধান্ত পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের। এলপিজিতে যাতে টান না-পড়ে, সেই বিপদ এড়াতে জারি নির্দেশিকা। তাতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, একটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের ২১ দিন পর দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুকিং করা যাবে। অর্থাৎ একটি গ্যাসে কমপক্ষে ২১ দিন চালাতেই হবে গৃহস্থকে।
