
কলকাতা: বিজেপি ফর্ম-৬ এর মাধ্যমে বহিরাগতদের এনে ঢোকাচ্ছে। বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ জানায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। এরপর মঙ্গলবারও এই নিয়ে তপ্ত হয়ে ওঠে কমিশনের দফতর। অবশেষে তৃণমূলের এই অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিল কমিশন।
এ দিন, নির্বাচন কমিশনের তরফে মনোজ আগরওয়াল বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার ফর্ম ৬ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। যে অভিযোগ উঠেছে সেটায় স্পষ্ট করছি, এটা সরকারি কার্যালয়। আমরা যে কোনও ডকুমেন্টস রিসিভ করতে বাধ্য। সব জানতেও পারি না। খবর নিয়ে জানি ফর্ম ৬ এসেছে।”
এ দিন, ফর্ম-৬ এর কী নিয়ম তাও স্পষ্ট করেন মনোজ। তিনি জানান, “আঠারো বছর হওয়ার পর চারবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারেন।জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর, এই চার মাসে তিনি আবেদন করতে পারেন। তবে, যে কোনও সময় ফর্ম ৬ নেওয়া যায়। শেষ মনোনয়নের সাতদিন আগে যেটা নিষ্পত্তি হবে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে। আজ যদি নিষ্পত্তি করেও থাকি, তাহলেও প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবে না।”
আজ মনোজ আগরওয়াল জানান, “সিও কোনও ভোটারের নাম যুক্ত বা বাদ দিতে পারে না। আমরা ERO-কে দিয়ে তদন্ত করতে পারি। ১০৭ নোয়াপাড়া থেকে এসেছিল সেটা আজ দেখেছি। সেখানে তার নাম বাদ গেছে সেটি আপিল ও ফর্ম ৬ নেওয়া হয়েছে। ডিও দেখবেন নাম গ্রহণযোগ্য কি না দেখবেন। নাম ডিলিট হলে ১৫ দিনের মধ্যে আপিল করবে ডিইওর কাছে।” তিনি আরও জানান, “একজন এক বা একাধিক ডকুমেন্টস দিতে পারেন। ডিইওকে দেওয়ার পর কেউ যদি মনে করেন সিও অফিসে দেবেন আমি কি করতে পারি।” বস্তুত, অভিষেক গতকাল বলেছিলেন, “নোয়াপাড়ায়- ৭০০ ফর্ম ৬ জমা পড়েছে, ব্যারাকপুরে জমা পড়েছে, এগরা, জোড়াসাকো, চৌরঙ্গী, শ্যামপুকুরে। মোট ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। তাহলে তো ৬০০ জনকে সশরীরে এসে জমা দিতে হবে। আমরা বলেছি সিইও-কে যাতে সিসিটিভি দেখায়।”