
কলকাতা: আইপ্য়াক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল ইডি। প্রথম পিটিশনটি দায়ের করা হল ইডির তরফে। দ্বিতীয় পিটিশনটি দায়ের করলেন ইডির তিন আধিকারিক — নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতে রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।
কিন্তু ইডির দায়ের করা এই পিটিশনে ঠিক কী রয়েছে? আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অযাচিত প্রবেশ’ এবং ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে ‘চুরি’ ও ‘ডাকাতি’র সঙ্গে তুলনা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি, ইডির কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাও ‘তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশে’ হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির।
বলে রাখা প্রয়োজন, সংশ্লিষ্ট পিটিশনে মোট পূর্বের তিনটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে ইডি। আইপ্যাকের আগেও একই রকম ঘটনা কবে ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তা তুলে ধরেছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর এই ‘ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর’ প্রবণতাকেই আদালতে হাতিয়ার করতে মরিয়া তাঁরা। তাই সেই যুক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে মোট তিনটি ঘটনা।
শুধু এই তিন ঘটনাই নয়! কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি ভেস্তে দেওয়ার নেপথ্যেও পিটিশনে তৃণমূলকেই দায়ি করেছে ইডি। শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে জমায়েত করেছিল বলেই অভিযোগ তাঁদের।
উল্লেখ্য়, পিটিশনে সুপ্রিম কোর্টের কাছে কয়েকটি আবেদন জানিয়েছে ইডি। তাঁদের দাবি –