ED on Calcutta High Court: I-PAC-এ তল্লাশির ঘটনায় হাইকোর্টে CBI তদন্ত চাইল ED, যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নামও

Calcutta High Court: ইডির বক্তব্য, তল্লাশি চালানোর সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে তিনি ফাইল নিয়ে গিয়েছেন সেটাকে নজরের আওতায় নিয়ে আসা হোক। কোনও পুলিশের মারফত এটি সম্ভব নয়, তাই এক কেন্দ্রীয় এজেন্সি আর এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির দ্বারস্থ হতে চাইছে।

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 09, 2026 | 1:35 PM

কলকাতা: আইপ্যাকে (I-PAC) তল্লাশিতে বাধা। কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত চাইল ইডি (ED)। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মামলায় যুক্ত করে সিবিআই তদন্তের দাবি করছে ইডি। এখানে উল্লেখ্য, এ দিকে, ইডি যখন হাইকোর্টে মামলা করেছে, সেই সময় আবার পাল্টা ইডির বিরুদ্ধেও থায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এমনকী, ইডি অভিযানের বিরোধিতা করে বাড়ছে পাল্টা মামলা দায়ের হয়েছে। একটি নয়, দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

কী কী অভিযোগ ইডির?

ইডির বক্তব্য, তল্লাশি চালানোর সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে তিনি ফাইল নিয়ে গিয়েছেন সেটাকে নজরের আওতায় নিয়ে আসা হোক। কোনও পুলিশের মারফত এটি সম্ভব নয়, তাই এক কেন্দ্রীয় এজেন্সি আর এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির দ্বারস্থ হতে চাইছে। ইডি যে গোটা পিটিশন রয়েছে, সেখানে এফআইআর (FIR) করার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে রাজীব কুমারের নাম। ইডির অভিযোগ,বড়-বড় পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে ছিলেন। এমনকী যে ফাইল নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটা পুলিশের নিরাপত্তার মাধ্যমেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্য়মন্ত্রীকে পার্টি করার আহ্বানও জানানও হয়েছে।

তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “ইডি-সিবিআই আরও যা যা আছে, আমেরিকা থেকে ট্রাম্পকে আনতে পারে। কিছু হবে না। ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।”

কী ঘটেছিল বৃহস্পতিবার?

এখানে উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির আর্থিক প্রতারণা মামলায় I PAC এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস ও লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। ইডি আধিকারিকরা যখন ভিতরে ঢোকেন, তার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। আর সিপি যাওয়ার খানিক পরপরই দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। তড়িঘড়ি বাড়ির ভিতরে ঢোকেন তিনি। খানিক পরই বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর হাতে একটি সবুজ ফাইল দেখা যায়। সেটিকে ধরে সাংবাদিকদের সামনেই মমতা বলেন, “দেখুন আমি সব এই ফাইলে নিয়ে এসেছি। কারণ প্রতীক আমার পার্টির ইনচার্জ। সব হার্ড ডিস্ক আমি গুছিয়ে নিয়ে এসেছি।”

 

কলকাতা: আইপ্যাকে (I-PAC) তল্লাশিতে বাধা। কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত চাইল ইডি (ED)। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মামলায় যুক্ত করে সিবিআই তদন্তের দাবি করছে ইডি। এখানে উল্লেখ্য, এ দিকে, ইডি যখন হাইকোর্টে মামলা করেছে, সেই সময় আবার পাল্টা ইডির বিরুদ্ধেও থায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এমনকী, ইডি অভিযানের বিরোধিতা করে বাড়ছে পাল্টা মামলা দায়ের হয়েছে। একটি নয়, দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

কী কী অভিযোগ ইডির?

ইডির বক্তব্য, তল্লাশি চালানোর সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে তিনি ফাইল নিয়ে গিয়েছেন সেটাকে নজরের আওতায় নিয়ে আসা হোক। কোনও পুলিশের মারফত এটি সম্ভব নয়, তাই এক কেন্দ্রীয় এজেন্সি আর এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির দ্বারস্থ হতে চাইছে। ইডি যে গোটা পিটিশন রয়েছে, সেখানে এফআইআর (FIR) করার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে রাজীব কুমারের নাম। ইডির অভিযোগ,বড়-বড় পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে ছিলেন। এমনকী যে ফাইল নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটা পুলিশের নিরাপত্তার মাধ্যমেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্য়মন্ত্রীকে পার্টি করার আহ্বানও জানানও হয়েছে।

তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “ইডি-সিবিআই আরও যা যা আছে, আমেরিকা থেকে ট্রাম্পকে আনতে পারে। কিছু হবে না। ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।”

কী ঘটেছিল বৃহস্পতিবার?

এখানে উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির আর্থিক প্রতারণা মামলায় I PAC এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস ও লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। ইডি আধিকারিকরা যখন ভিতরে ঢোকেন, তার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। আর সিপি যাওয়ার খানিক পরপরই দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। তড়িঘড়ি বাড়ির ভিতরে ঢোকেন তিনি। খানিক পরই বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর হাতে একটি সবুজ ফাইল দেখা যায়। সেটিকে ধরে সাংবাদিকদের সামনেই মমতা বলেন, “দেখুন আমি সব এই ফাইলে নিয়ে এসেছি। কারণ প্রতীক আমার পার্টির ইনচার্জ। সব হার্ড ডিস্ক আমি গুছিয়ে নিয়ে এসেছি।”