Election Commission: ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি…’, কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন

SIR Hearing: উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া থেকে ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ- রাজ্যের একাধিক জেলার একাধিক শুনানি কেন্দ্রের দেখা গিয়েছে চরম অশান্তির ছবি। অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছ শুনানি, এমন ছবিও দেখা গিয়েছে, যা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

Election Commission: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি..., কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন
Image Credit source: PTI

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 23, 2026 | 1:21 PM

কলকাতা: এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়ানো হচ্ছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি নয়, আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে বাংলার জেলাশাসকদের কাছে গেল এক বিশেষ নির্দেশ। অশান্তি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে শুনানি। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া থেকে ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ- রাজ্যের একাধিক জেলার একাধিক শুনানি কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে চরম অশান্তির ছবি। অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছ শুনানি, এমন ছবিও দেখা গিয়েছে, যা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। খোদ বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এই আবহেই রীতিমতো কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।

সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় শুনানি নিয়ে আর খুব বেশি তাড়া নেই  কমিশনের। তাই আপাতত নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিস্থিতি অশান্ত হয়, যদি ভোটাররা উপস্থিত হতে ভয় পান, তাহলে বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি। যতক্ষণ পর্যন্ত না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, ততক্ষণ শুনানি চালু হবে না বলে জানানো হয়েছে।

একদিকে যখন তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসে শুনানি করতে হবে, তারপরই নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের উপর কার্যত পাল্টা চাপ তৈরি করল কমিশন।

সুপ্রিম নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেইসময় যাতে কোনও অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

এই নির্দেশের কথা শুনে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “শুনানি নাহলে ভোট পিছিয়ে যাবে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে হবে। তৃণমূল সেটাই চাইছে।” তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার দাবি করেছেন, বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখাতে এই কাজ করছে।