
কলকাতা: শুনানিতে গিয়ে হয়রান হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, এমনই অভিযোগ উঠেছে বারবার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যার নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’। নামের বানান, বাবা বা মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক, এমন কিছু তথ্য় নিয়ে সমস্যা থাকলেও শুনানির জন্য নোটিস দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবারও প্রশ্ন তুলেছেন, “বাবা ব্যানার্জি আর ছেলে বন্দ্যোপাধ্যায় হলে সমস্যা হবে কেন?” এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।
সুব্রত গুপ্ত বলেন, “লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি হওয়ার পর কাজ অনেক বেড়ে গিয়েছে কমিশনের, কারণ সংখ্যাটা অনেক বেশি।” বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যে বানান ভুলের জন্য ডাকা হচ্ছে, সে কথাও স্বীকার করে নেন তিনি। বুঝিয়ে বলেন সমস্যাটা ঠিক কোথায়।
তিনি আরও বলেন, “বন্দ্যোপাধ্যায় আর ব্যানার্জির ফারাক হলেও নোটিস দেওয়া হচ্ছে। কখনও দেখা যাচ্ছে পদবী দে হলে বাবা লেখেন Dey, ছেলে লেখেন De। উত্তরবঙ্গে গিয়ে দেখেছি, ওঁরাও পদবীর ক্ষেত্রে ৬ রকম বানান হয়, ফলে কম্পিউটারে তো সেটা ধরা পড়ে না।” সেই কারণেই এভাবে বারবার ডাক পড়ছে বলে জানিয়েেন তিনি।
তবে আরও বেশি সময় ধরে পুরো প্রক্রিয়া হলে ভাল হত বলে মনে করেন তিনি। সুব্রত গুপ্ত বলেন, “আমি মনে করি সময় নিয়ে কাজ করলে আর একটু চিন্তাভাবনা করে করা যেত। আমাদের এপ্রিলের মধ্যে ভোট হবে। তার মধ্যে পরিকল্পনা করে সবটা করতে হয়েছে। আমরা বেশি সময় পাইনি। তবে তথ্য বলছে, ঠিক সময়ে কাজ সম্পূর্ণ হওয়া সম্ভব।”