WB Govt: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও রাজ্যের সঙ্গে কমিশনের বিরাট সংঘাত, এখনও দেওয়া হল না তথ্য!

SIR: মঙ্গলবার পেরিয়ে আজ শুক্রবার। এখনও পুরো তথ্য পায়নি বলে দাবি কমিশনের। ৮৫০৫ জনের তালিকা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছে কমিশনকে। তাদের মধ্যে ২ হাজার জনের তথ্য দেওয়া হয়নি রাজ্যের তরফে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যে ৫০০ জন ইতিমধ্যে এইআরও হিসেবে কাজ করছেন বলেও জানতে পেরেছে কমিশন।

WB Govt: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও রাজ্যের সঙ্গে কমিশনের বিরাট সংঘাত, এখনও দেওয়া হল না তথ্য!
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 13, 2026 | 12:18 PM

কলকাতা: কেন ঠিক সময়ে অফিসার নিয়োগের তথ্য দেওয়া হল না, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। শেষ শুনানিতে রাজ্যকে এই বিষয়ে বিশেষ নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই সুপ্রিম নির্দেশের পরও সংঘাত মিটছে না। ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুলল নির্বাচন কমিশন। ৮৫০৫ জন অফিসারের তালিকা পাঠানো হলেও, অনেকের তথ্যই এখনও পৌঁছয়নি কমিশনের হাতে।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানির ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে তড়িঘড়ি ৮৫০৫ জনের নাম কমিশনকে দেয় রাজ্য সরকার। পরে শুনানিতে কমিশন জানায়, নাম দিলেও ওই অফিসারদের বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। এরপর শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, সেই ৮৫০৫ জন গ্রুপ বি অফিসারদের তালিকা নিয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে ডিইও ও ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট জমা করতে হবে। তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কাকে কাজ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার পেরিয়ে আজ শুক্রবার। এখনও পুরো তথ্য পায়নি বলে দাবি কমিশনের। ৮৫০৫ জনের তালিকা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছে কমিশনকে। তাদের মধ্যে ২ হাজার জনের তথ্য দেওয়া হয়নি রাজ্যের তরফে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যে ৫০০ জন ইতিমধ্যে এইআরও হিসেবে কাজ করছেন বলেও জানতে পেরেছে কমিশন। প্রশ্ন হল, একজন এইআরও হিসেবে কাজ করা সত্ত্বেও কীভাবে মাইক্রোঅবজারভার হিসেবে কাজ করবেন?

এই ইস্যুতে রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “এইআরও হওয়া সত্ত্বেও ৫০০ জনের নাম রাজ্যের তরফ থেকে পাঠানো হয়েছে। আদতে এভাবে সুপ্রিম কোর্টেই মিথ্য কথা বলল নির্বাচন কমিশন!”

শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে বলেছিল,  “আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।”