Election Commission: ‘৪ আধিকারিকের কাছ থেকে জবাব চাইতে হবে’, রাজ্যকে চিঠি কমিশনের

Kolkata: বেআইনি ভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

Election Commission: ৪ আধিকারিকের কাছ থেকে জবাব চাইতে হবে, রাজ্যকে চিঠি কমিশনের
নির্বাচন কমিশনImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 21, 2026 | 6:00 PM

কলকাতা: অফিসারদের বিরুদ্ধে রাজ্যের শাস্তি প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পদ্ধতি মেনেই শাস্তি দিতে হবে চারজন ইআরও ও এইআরও-কে। মুখ্য সচিবকে দেওয়া চিঠিতে জানাল কমিশন। বারবার এফআইআর-এর নির্দেশ দিলেও তা মানেনি রাজ্য। কেন নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত বছরের অগস্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে এই চিঠি লেখা হয়েছিল। বারুইপুর, ময়নার এইআরও আর ইআরও-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যসচিব ছিলেন মনোজ পন্থ। তিনি দিল্লিতে গিয়ে বৈঠকও করেন। সেই সময় পদক্ষেপ বলতে শুধুমাত্র সাসপেন্ড করা হয়েছিল ওই আধিকারিকদের। এফআইআর হয়নি।

এই বছরের শুরুতেই বলা হয়েছিল ডিইও (DEO)-রা এফআইআর করতে পারবেন। এরপর নবান্ন থেকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয় কেন লঘু পাপে গুরুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে? কী এমন হয়েছে যার জন্য করতে হবে FIR? এরপরই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকার নয়, কমিশন নেয়। তাই সেই বিষয়টিকেও আরও একবার স্মরণ করিয়ে রাজ্যকে চিঠি দিল কমিশন। দ্রুততার সঙ্গে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যাতে দ্রুত পদক্ষেপ করা হয় তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

বেআইনি ভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশও দেয় কমিশন। তবে তা কার্যকর না হয় ফের আবার চিঠি নিল কমিশন।

বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কমিশনের কাছে একটাই দাবি, নির্বাচন কমিশনকে যেন নাক-দন্তহীন মনে না হয়। তাদের কথা যদি মুখ্যসচিব না মানে তবে তার বিরুদ্ধে কী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে?” রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “মানুষের উপকারে লাগে না শাস্তি দিতে পারে। ওরা মানুষের ভোটের অধিকার দিতে পারে না, কেড়ে নেয় ওরা খুব শাস্তি নিয়ে কথা বলছে।”