
কলকাতা : ভোট আবহে ফের একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি নির্বাচন কমিশনের। রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দলগুলির প্রচারের খরচ,বিজ্ঞাপন থেকে ভুয়ো প্রচার রোখার কৌশল। দলগুলির উদ্দেশে কী কী নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন, দেখে নিন।
বৃহস্পতিবারই সিইও, পুলিশ নোডাল অফিসার এবং অন্য আধিকারিকদের সঙ্গে কমিশন একটি বৈঠক করেছে। তারপরই নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট কমিটির থেকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের অনুমোদন নিতে হবে নির্বাচনের প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলগুলিকে। কমিটির নামও উল্লেখ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটির (এমসিএমসি) থেকে অনুমোদন নিতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেতৃত্বে আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে ওই কমিটিতে আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা। এছাড়া, সংবাদমাধ্যমে টাকা দিয়ে কোনও খবর প্রকাশ করা হচ্ছে কি না, সেদিকেও কড়া নজর রাখবে (এমসিএমসি)। যদি টাকা নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ করবে কমিশন।
মনোনয়নের হলফনামায় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিবরণ দিতে হবে প্রার্থীদের। অর্থাৎ কোন প্ল্যাটফর্মে কী কী অ্যাকাউন্ট, কতগুলি স্বীকৃত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার পুরো বিবরণ হলফনামায় থাকতে হবে। এছাড়া, নির্বাচন শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মধ্যে সব রাজনৈতিক দলকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচারের খরচের বিবরণ দিতে হবে। এছাড়া, ভুয়ো প্রচার বন্ধ নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।
এর আগেও বাংলায় ভোট নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের বার্তায় পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম হল হিংসামুক্ত ভোট করাতে হবে। দ্বিতীয়, ছাপ্পাহীন ভোটই লক্ষ্য। তৃতীয় ও চতুর্থ উল্লেখযোগ্য বার্তা হল সোর্স জ্যামি, বুথ জ্যামিং বরদাস্ত করা হবে না। ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট করানোই লক্ষ্য থাকবে। এছাড়া, প্রলোভন দেখানো কখনওই বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।