SIR in Bengal: ডোমিসাইল থাকলেই হবে না! SIR-র জন্য বাড়তি নিয়ম বেঁধে দিল কমিশন

Domicile Certificate in SIR: স্থায়ী জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের কাছ থেকেই এই স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র পাওয়া যায়। তবে কখন তা এসআইআর-এর কাজে গৃহিত হবে বা বৈধ নথি হিসাবে গ্রহণ হবে, তা এবার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

SIR in Bengal: ডোমিসাইল থাকলেই হবে না! SIR-র জন্য বাড়তি নিয়ম বেঁধে দিল কমিশন
প্রতীকী ছবিImage Credit source: সংগৃহিত (X)

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Feb 08, 2026 | 12:07 AM

কলকাতা: স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট পেতে যাতে অসুবিধা না-হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় কলকাতা-সহ রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, এই শংসাপত্র সাধারণের হাতে দ্রুত তুলে দিতে হবে। এই মর্মে ক্যাম্প করারও বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন (এসআইআর)-এর কাজে এই শংসাপত্রটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ ধরা হবে, সেই নিয়ে এবার অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন।

নয়াদিল্লি থেকে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এল চিঠি। নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য নথি। তবে শংসাপত্রটি কয়েকটি ক্ষেত্রে বৈধ হিসাবে ধরা হবে বলেই জানিয়েছে কমিশন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর যে সকল শংসাপত্র দিয়েছেন, সেগুলিকেই বৈধ বলে চিহ্নিত করা হবে।

স্থায়ী জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের কাছ থেকেই এই স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র পাওয়া যায়। তবে কখন তা এসআইআর-এর কাজে গৃহিত হবে বা বৈধ নথি হিসাবে গ্রহণ হবে, তা এবার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে তাঁরা এও স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রতিটি শংসাপত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জারি হওয়া নির্দেশিকা মেনেই হতে হবে।

কিন্তু ওই নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছিল? ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে রাজ্য় প্রশাসনের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। এক্ষেত্রে আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মা কমপক্ষে প্রায় ১৫ বছর ধরে একটানা পশ্চিমবঙ্গে থাকলে তাঁরা এই শংসাপত্র পেতে পারেন। নিজের জমি থাকলে এই সার্টিফিকেট পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি, রাজ্যের কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন, এই প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্ট শংসাপত্র পাওয়া যেতে পারে।

শনিবার রাজ্যের সিইও দফতরে পাঠানো চিঠিতেও স্থায়ী বসবাসকারী শংসাপত্র নিয়ে এই নির্দেশিকা এবং নির্দিষ্ট আধিকারিকদের দ্বারা অনুমোদনের কথা স্মরণ করাল নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি, এই নির্দেশ কঠোর ভাবে পালন করতে হবে বলেই জানিয়ে দিল তাঁরা।