AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR in Bengal: SIR-এ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড চলবে না কেন? কী যুক্তি কমিশনের?

West Bengal SIR News: কিন্তু মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে কেন আপত্তি তুলছে নির্বাচন কমিশন? এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের ঘোষণার সময় ও পরবর্তীকালে যে ১৩টি নথির কথা কমিশন উল্লেখ করেছিল, তাতে মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ড উল্লেখিত ছিল না।

SIR in Bengal: SIR-এ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড চলবে না কেন? কী যুক্তি কমিশনের?
প্রতীকী ছবিImage Credit: নিজস্ব চিত্র
| Edited By: | Updated on: Jan 19, 2026 | 11:39 AM
Share

কলকাতা: বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বৈধ নথি হিসাবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা হবে না আগেই জানিয়েছিল কমিশন। এবার সেই মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ডকে হাতিয়ার করেই ভোটারদের শুনানিতে ডাকতে চলেছে তারা। ডিইওদের সিইও দফতর নির্দেশ দিয়েছে, যে সব ভোটার শুধুমাত্র অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবার নথি দিতে হবে। অর্থাৎ, সেই সকল ভোটারকে পুনরায় শুনানির জন্য ডাকা হবে।

কিন্তু মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে কেন আপত্তি তুলছে নির্বাচন কমিশন? এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের ঘোষণার সময় ও পরবর্তীকালে যে ১৩টি নথির কথা কমিশন উল্লেখ করেছিল, তাতে মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ড উল্লেখিত ছিল না। বরং তার পরিবর্তে জায়গা পেয়েছে মাধ্যমিকের শংসাপত্র। ডিইও-দের দেওয়া নির্দেশে সেই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে রাজ্য়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ড নয়, গুরুত্ব দিতে হবে শংসাপত্রে। এদিকে রাজ্য়েজুড়ে নানা সরকারি কাজে বয়স বা জন্মের শংসাপত্রের বিকল্প হিসাবে জায়গা পেয়ে থাকে অ্যাডমিট কার্ড। যা পাবে না এসআইআর-এর ক্ষেত্রে। কিন্তু নেপথ্যে যুক্তি কি?

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বাংলার ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে জন্মের সাল লেখা থাকে, যা বয়সকে চিহ্নিত করে। কিন্তু অন্য রাজ্যগুলির অ্যাডমিট কার্ডে তা থাকে না। সেই কারণে অন্যান্য় রাজ্যে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মাধ্য়মিকের শংসাপত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেই একই নিয়ম বাংলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য রাখতে চায় কমিশন।

তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তে একাংশ সমস্য়ায় পড়তে পারেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এসআইআর-এর প্রাথমিক পর্যায়ে মুখ্য়মন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছিলেন, বাংলার বহু মানুষ মাধ্য়মিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেননি, তারা কীভাবে নথি দেখাবেন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে সেই প্রশ্নই নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। বাংলায় এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যারা হয়তো মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়েছেন কিন্তু পরীক্ষায় বসেননি। অনেক আবার পরীক্ষায় বসেছেন শংসাপত্র তোলেননি। তারাই এবার বিপদে পড়তে পারেন।

এসআইআর-এর জন্য কমিশন যে ১৩টি নথির কথা বলেছে, সেগুলি হল –

১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার

২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি

৩) জন্মের শংসাপত্র

৪) পাসপোর্ট

৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র

৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র

৭) বনাধিকার শংসাপত্র

৮) জাতিগত শংসাপত্র

৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম

১০) বংশলতিকার শংসাপত্র

১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি

১২) আধার কার্ড

১৩) বিহারের এসআইআর-এর নথি