AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ED Search Operation: ভুয়ো কোম্পানির নামে বিপুল টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ, লেক টাউন-উত্তরপাড়ায়

লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড (ফেজ ১) আবাসন কমপ্লেক্সে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) অশোক সারথির বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সকাল থেকেই সেখানে জোরকদমে তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।

ED Search Operation: ভুয়ো কোম্পানির নামে বিপুল টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ, লেক টাউন-উত্তরপাড়ায়
Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Oct 30, 2026 | 9:02 AM
Share

কলকাতা: ফের রাজ্যে ইডি তল্লাশি (ED Search)। শুক্রবার সকালে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৯০ কোটির ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎ প্লান্টের টাকা কলকাতায় পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভুয়ো কোম্পানি খুলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ  লেকটাউনে ইডি-র নজরে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। অভিযান চলছে উত্তরপাড়াতেও।

উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটের বাসিন্দা সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে এদিন সকালে ইডি আধিকারিকরা প্রবেশ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে ইডি তদন্তকারী দল পৌঁছয় উত্তরপাড়ায়। সুদীপ্ত ঘোষ পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। বাড়িতে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে।

সুদীপ্ত ঘোষ জানান, ইডি (ED) তদন্ত করছে। তবে তাঁর সঙ্গে দুর্নীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি। তদন্তকারীরা তদন্তের অনুমতি নিয়ে এসেছেন। তিনি সহযোগিতা করছেন বলে জানিয়েছেন।

লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড (ফেজ ১) আবাসন কমপ্লেক্সে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) অশোক সারথির বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সকাল থেকেই সেখানে জোরকদমে তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের একটি পাওয়ার প্রজেক্ট বা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট তৈরির নামে ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া বিপুল টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগেই এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তদন্তের আওতায় থাকা মূল বেসরকারি সংস্থার নাম কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড। ঝাড়খণ্ডে একটি ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপন করার কথা বলে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ এই সিএ-র বিরুদ্ধে।

ব্যাঙ্ক কনসর্টিয়াম থেকে নেওয়া এই লোনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯০ কোটি টাকা। অভিযোগ উঠেছে যে, বিদ্যুৎ প্লান্ট তৈরির নামে নেওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আসল প্রজেক্টে ব্যবহার না করে, ভুয়ো সংস্থার জাল বিছিয়ে পাচার ও আত্মসাৎ করা হয়েছে। আর এই সম্পূর্ণ আর্থিক নয়ছয়ের নেপথ্যে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

আপাতত আবাসনের ভিতরে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি ডিজিটাল নথি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও বিভিন্ন সন্দেহভাজন কাগজের খোঁজ চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তের শেষে আর কী কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেটাই দেখার।

দেবব্রত মণ্ডল ও আশিক ইনসানের রিপোর্ট

Follow Us