Anandapur Fire: বন্ধ ফোন, শুধু মোমো কারখানা নয়, খোঁজ মিলছে না ১০ জন ডেকরের্টসে কর্মরত শ্রমিকের

গুরুপদ সাউ। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা। মোমো গুদামের পাশেই ডেকরের্টসের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদর। জানিয়েছিলেন গুদামে ফুলের কাজ করছেন। সকালে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ আসায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে পরিবারের। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে উদ্বিগ্ন পরিবারের ভিড়।

Anandapur Fire: বন্ধ ফোন, শুধু মোমো কারখানা নয়, খোঁজ মিলছে না ১০ জন ডেকরের্টসে কর্মরত শ্রমিকের
খোঁজ নেই পরিবারের লোকজনেরImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 26, 2026 | 2:10 PM

কলকাতা: জ্বলছে আনন্দপুরের একটি মোমো কারখানা। প্রায় বারো ঘণ্টা হতে চলল আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই কারখানার পাশেই রয়েছে আরও একটি ডেকরের্টস কারখানা। সেখানেও কাজ করছিলেন অনেকে। তবে যাঁরা কাজ করছিলেন তাঁদের মধ্যে খোঁজ নেই অনেকের। কী হল তাঁদের, কেন ফোন সুইচ অফ? হা-হুতাশ করছেন পরিবারের লোকজন। পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজের তালিকা তৈরি হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন মোমো কারখানার। আর ১০ জন ডেকরের্টসের কর্মী।

গুরুপদ সাউ। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা। মোমো গুদামের পাশেই ডেকরের্টসের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদর। জানিয়েছিলেন গুদামে ফুলের কাজ করছেন। সকালে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ আসায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে পরিবারের। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে উদ্বিগ্ন পরিবারের ভিড়।

এ দিন, হরিপদর ভাগ্না টিভি ৯ বাংলাকে জানাচ্ছিলেন কতটা দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আমার কাকু রয়েছে। গুরুপদ সাউ। ফুলের কারখানায় কাজ করত। কাকিমার সঙ্গে রাতে কথা হয়েছে। সেই সময় গোডাউনে ছিল বলছে। সকালে ফোন করে পাচ্ছি না। এখন কারখানায় আগুন লেগেছে। ফোন অফ বলছে। ওঁর সঙ্গে আমাদের ওইখানে কেউ ছিল না। তাঁদেরও খোঁজ নেই।” জানা যাচ্ছে, ওই ডেকরের্টসের গুদামে কাজ করা শ্রমিকদের মধ্যে যতজন ছিলেন তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা।

এখানে উল্লেখ্য, রবিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে আনন্দপুরের নামজাদা মোমো কোম্পানির কারখানা। রাতে নাইট শিফ্টে কারখানয় মধ্যে থাকা কর্মীদের কোনও খোঁজ নেই। প্রাথমিকভাবে তিনজন কর্মী নিখোঁজ হয়ে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বেড়েছে সেই সংখ্যা। তিন নয়, নিখোঁজ ষোলো কর্মীর। পরবর্তীতে বেলা বাড়তেই জানা যাচ্ছে, শুধু ওই মোমো কারখানা নয় একই সঙ্গে ওই ডেকরের্টসের কারখানারও অনেকে নিখোঁজ।