Firhad Hakim Resigns: নেতাজির অসম্পূর্ণ ‘স্বপ্ন’ পূরণের ইচ্ছা ছিল ফিরহাদের, যা করতে পারলেন না… কোন ‘স্বপ্ন’, শেষদিনে জানালেন নিজেই
Firhad Hakim Resignation: লালবাড়িতে অবসান হল এক অধ্যায়ের। সাংবাদিক বৈঠকও করলেন। কোন কোন কাজ করেছেন, তার একটা তালিকা তুলে ধরেন। আর যা করতে পারলেন না, সেটাও বললেন। আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে আনলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। নেতাজির এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না।

কলকাতা: ২০১৮ কাট টু ২০২৬! মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে জমা দিলেন ইস্তফাপত্র। লালবাড়িতে অবসান হল এক অধ্যায়ের। সাংবাদিক বৈঠকও করলেন। কোন কোন কাজ করেছেন, তার একটা তালিকা তুলে ধরেন। আর যা করতে পারলেন না, সেটাও বললেন। আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে আনলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। নেতাজির এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না।
ইস্তফা দেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকের শুরু থেকেই বারবার ফিরহাদ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষচন্দ্র বোস, ড. বিধানচন্দ্র রায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। বুঝিয়েছেন, কীভাবে তিনি এই চেয়ারে বসে ধন্য। ফিরহাদ বলেন, একটা স্বপ্ন ছিল নেতাজি, যেটা পূরণ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর খুব ইচ্ছা ছিল তাঁর, যেটা করতে পারলেন না। সেটা কী? সেই প্রসঙ্গেই বলেন, “আমার এক সাংবাদিক বন্ধু টিভিতে ঘটনাটা বলছিলেন। যখন নেতাজি মেয়র ছিলেন, সে সময়ে একবার ঠনঠনিয়াতে খুব জল জমেছিল, গামবুট করে এখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে নেতাজি ঠনঠনিয়ায় গিয়েছিলেন। কোমর পর্যন্ত জল ছিল। সেই জল আজও জমে।”
ফিরহাদ বলেন, “আমি সেখানে ঋষিকেশ পার্কে ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন করছিলাম, আমি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছিলাম, কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু উদ্বোধন করতে পারলাম না।” আর এই কথা বলতে গিয়েই ফিরহাদ বলেন, “নিশ্চিতভাবে সে কাজ শেষ হবে। নেতাজি যে স্বপ্নটা দেখেছিলেন, যে ঠনঠনিয়াতে আর জল জমবে না, সেটা হবে। কিন্তু আমি আর এখানে থাকলাম না।”
ফিরহাদ জানান, ইএম বাইপাসে, ঢালাই ব্রিজের কাছে, খিদিরপুর, গল্ফগ্রিন, কবিতীর্থে পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। সে কাজ মাঝপথে রয়েছে। ফিরহাদের কথায়, যে দায়িত্ব নেবে, নিশ্চিতভাবে সে কাজ সম্পন্ন করবে।
