Jadavpur University: গোটা দেশে প্রথম, কোন পথে এই বিরাট সাফল্য পেলেন যাদবপুরের লোপামুদ্রা? কীভাবে নিয়েছিলেন প্রস্তুতি?

Lopamudra Jana: গবেষণার যোগ্যতামান যাচাইয়ের সর্বভারতীয় পরীক্ষা নেটে বাংলার জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপে সারা দেশে সম্ভাব্য প্রথমস্থান অধিকার করেছেন লোপামুদ্রা জানা। তাঁকে নিয়েই এখন জোর চর্চা শিক্ষা মহলে। ৩০০-র মধ্যে পেয়েছেন ২৩২। কিন্তু কোন পথে এল এই বিরাট সাফল্য? 

Jadavpur University: গোটা দেশে প্রথম, কোন পথে এই বিরাট সাফল্য পেলেন যাদবপুরের লোপামুদ্রা? কীভাবে নিয়েছিলেন প্রস্তুতি?
কী বলছেন লোপামুদ্রা? Image Credit source: TV 9 Bangla GFX

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 08, 2026 | 3:37 PM

কলকাতা: হাওড়ার শ্যামপুরের কোটরা গ্রামের মেয়ে। রাধাপুর হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক। তারপর সোজা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ। সেখান থেকে বাংলায় স্নাতক। সেখানেও প্রথম। পেয়েছিলেন স্বর্ণপদক। তারপর যাত্রা শুরু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেখানেই করেছেন মাস্টার্স। মাস্টার্স চলাকালীন সেট পরীক্ষায় বসেন। উত্তার্ণ হন। নেটেও দুবার এলএসের জন্য হয়েছিলেন। কিন্তু জেআরএফ হাতে আসেনি। কিন্তু ভেঙে না পড়ে ফের নতুন উদ্যোমে পড়াশোনা। টানা প্রস্তুতি। আর তাতেই মিলল সাফল্য। আর নেটের ফল প্রকাশিত হতে দেখা গেল ফের গোটা দেশে মধ্যে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছে আরও এক যাদবপুরের প্রাক্তনী। 

গবেষণার যোগ্যতামান যাচাইয়ের সর্বভারতীয় পরীক্ষা নেটে বাংলার জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপে সারা দেশে সম্ভাব্য প্রথমস্থান অধিকার করেছেন লোপামুদ্রা জানা। তাঁকে নিয়েই এখন জোর চর্চা শিক্ষা মহলে। ৩০০-র মধ্যে পেয়েছেন ২৩২। কিন্তু কোন পথে এল এই বিরাট সাফল্য? 

লোপামুদ্রা বারবার বলছেন অধ্যাবসায়ের কথাই। টিভি৯ বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “প্রথম দু’বার যখন আমি পরীক্ষা দিয়েছিলাম তখন মনে হয় আমি টেক্সট বইটা ভাল করে খুঁটিয়ে পড়িনি। কিছুটা নোটভিত্তিক পড়াশোনা করেছিলান। টেক্সট বই পড়লেও খুব খুঁটিয়ে পড়া বা বারবার রিভিশন করা হয়তো হয়নি। খুব কঠিন বলে কিছু কিছু জায়গা বাদ দিয়েছিলাম। কিন্তু জেআরএফ যখন দু’বারই পেলাম না তখন আমি নিজে আবার ভাল করে নিজের খামতিগুলো খুঁজেছিলাম। টেক্সট বইয়ের উপর এবার অনেকটাই জোর দিয়েছিলাম। তা ছাড়া পেপার ১, ও পেপার ২ এর ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরের প্রশ্নপত্রগুলির বিশ্লেষণ এবার আরও বিশদে করেছিলাম।”

বাড়িতেই বারবার দিয়েছেন পরীক্ষা। লড়েছেন হার না মানা লড়াই। লোপামুদ্রা বলছেন, “২০১৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত যত প্রশ্নপত্র ছিল বাংলার সেগুলি বের করে নিজে বাড়িতে পরীক্ষা দিয়েছি। প্রত্যেকদিন একটা করে পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এটা মনে হয় আমাকে অনেকটাই এবারে সাহায্য করেছে।” এরপর গবেষণা করতে চান রবীন্দ্র সাহিত্যে। তবে আলাদা কোনও প্রতিষ্ঠান এখনও বাছেননি। লোপামুদ্রা বলছেন, “আমি এরপর গবেষণা করতে চাই। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর দু’টিতেই আবার আবার রবীন্দ্র সাহিত্যের উপরে ডিজার্টেশন ছিল। আবার রবীন্দ্র সাহিত্য নিয়েই পরবর্তীতে গবেষণা করার ইচ্ছা ভাল কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।”