
কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সংসদে ইমপিটমেন্ট আনার তোড়জোড় তৃণমূলের। রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করা হয়েছে। আর মমতার বার্তার পরই দলীয় সাংসদদের প্রক্রিয়ার শুরু নির্দেশ তৃণমূল সাংসদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। এই ইমপিচমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে কী বলছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়?
ইমপিচমেন্ট্ কী? কীভাবে প্রস্তাব আনা হয়? এই প্রক্রিয়া কীভাবে চলে?
সাধারণ মানুষের জন্য খুব সহজে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বুঝিয়ে বলেছেন, “ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আজ অবধি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আজ অবধি আসেনি। এই প্রস্তাব আনতে গেলে সংসদে অনুমোদন করাতে হয়। সেখানে কমপক্ষে ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর লাগে। ওঁর কতজন সাংসদ আছেন সেটা উনিই ভাল জানেন। আর বাকি বিরোধীরা যদি সমর্থন করেন উনি আনতে পারেন। তবে সেটা করতে পারবেন কি পারবেন না আমি বলতে পারব না।”
যদি কোনওভাবে প্রস্তাব আনাও হয় তাহলে তা কীভাবে কার্যকর করা হয়?
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এটা অনেক জটিল পদ্ধতি। কার্যকরের পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করা হয়। অত সহজে হয় না। তারপর সেটা পাশ হবে দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে। চট করে হয়ে যায় না।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ দিয়েছেন যে সব বিরোধী দলগুলি কমিশনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। বৈঠক করতে। যাতে ১০০ জন সাংসদের সইয়ের ব্যবস্থা করা যায়। তৃণমূলের অন্দর সূত্রে খবর, বিজেপি যদি এই পদ্ধতির বিরোধিতা করে, তাহলে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে হবে জ্ঞানেশ কুমার গেরুয়া শিবিরের হয়ে কাজ করছে। অন্তত এমনই কৌশলী চাল দিতে পারে শাসকদল। ফলে আগামী দিনে এই ইস্যু কোনদিকে যায় সেইটাই দেখার।