AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Fraud Case: এবার ঘুণ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও! এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ কোটির প্রতারণার পর্দা ফাঁস

Fraud Case: এই প্রতারণার চক্রের নেপথ্যে উঠে আসছে মিতা মুখোপাধ্যায় নামে এক মহিলার নাম। তিনি জানান, তাঁদের কাছে টাকা নিয়েছিলেন প্রদীপ। কিন্তু চাকরি যখন তিনি পাননি, প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রদীপ তাঁদের অপেক্ষা করতে বলেছিলেন।

Fraud Case: এবার ঘুণ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও! এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ কোটির প্রতারণার পর্দা ফাঁস
বিধানসভায় চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ
| Edited By: | Updated on: Jan 31, 2024 | 2:03 PM
Share

কলকাতা: শিক্ষক পুরসভার পর  এবার দুর্নীতির ঘুণ বিধানসভার চাকরিতেও। বিধানসভায় চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ।  অভিযোগের তির মিতা মুখোপাধ্যায় নামে এক মহিলা ও তাঁর এজেন্টের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ইডি দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিতরা।

বুধবার সকালে ইডি দফতরের নামে জড়ো হন প্রতারিতরা। তাঁদের মধ্যে এক জন বলেন, “আমার কাছ প্রদীপ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির যোগাযোগ হয়। তাঁর বাড়ি ঠাকুরনগরে। তিনি আমাকে বিধানসভায় চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আমার কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। আমাকে কার্ড দিয়েছিল একটা। জয়েনিং লেটারও দিয়েছিল। পরে দেখছি নিয়োগ হচ্ছে না। জানি সবটা ভুয়ো।”

এই প্রতারণার চক্রের নেপথ্যে উঠে আসছে মিতা মুখোপাধ্যায় নামে এক মহিলার নাম। তিনি জানান, তাঁদের কাছে টাকা নিয়েছিলেন প্রদীপ। কিন্তু চাকরি যখন তিনি পাননি, প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রদীপ তাঁদের অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। এভাবেই কেটে যায় ৫-৬ বছর। প্রতারিতদের বক্তব্য, তখন প্রদীপকে চেপে ধরতে তিনি মিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম করেন। প্রদীপ জানিয়েছিলেন, তিনি সব টাকা মিতা মুখোপাধ্যায়ের হাতে দেন।

প্রতারিতদের অভিযোগ, গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতারণার জাল বিছিয়েছেন মিতা মুখোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই বিধানসভায় চাকরি দেওয়ার নাম করে ৮ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আরেক প্রতারিতের বক্তব্য, “সারা বাংলার মিতার নেটওয়ার্ক, আর প্রদীপের মতো এজেন্ট সর্বত্র রয়েছে। বিধানসভার কথা প্রথমে বলেন, তারপর প্রাইমারি, আপার প্রাইমারির জন্যও টাকা নেন।”

জমি বেঁচে টাকা দিয়েছিলেন তিনি। টাকা ধার নিয়ে দিয়েছিলেন। পাওনাদারদের জন্য বাড়িও ছেড়েছিলেন। সেই প্রতারিতর বক্তব্য, “মিতা বলেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিকদের সঙ্গে আমার ভাল যোগাযোগ রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম। এখন আমরা টাকা ফেরত চাই।” আরও অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। কারণ মিতা বারাসতের প্রভাবশালী। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের দিকেই তাকিয়ে প্রতারিতরা। এখনও পর্যন্ত মিতার অবশ্য এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Follow Us