Election Commission: এবার থেকে BLO-দের বিরুদ্ধে নিজেই ব্যবস্থা নিতে পারবেন CEO, স্বাধীনতা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

Election Commission: এবার থেকে CEO-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অথবা DEO কিংবা ERO-র রিপোর্টের ভিত্তিতে যে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও।

Election Commission: এবার থেকে BLO-দের বিরুদ্ধে নিজেই ব্যবস্থা নিতে পারবেন CEO, স্বাধীনতা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন
মনোজ আরগওয়াল, CEOImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 23, 2026 | 11:39 PM

কলকাতা: বিএলও-দের বিরুদ্ধে এবার আরও কড়া কমিশন।  মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ CEO-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের CEO-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের CEO-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে।

​এবার থেকে CEO-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অথবা DEO কিংবা ERO-র রিপোর্টের ভিত্তিতে যে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে।

চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন CEO। এক্ষেত্রে CEO কিংবা DEO সংশ্লিষ্ট BLO-কে সাময়িক বরখাস্ত করবেন এবং শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিভাগীয় তদন্ত করার নির্দেশ দেবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠাবেন। এই ধরনের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে ছয় মাসের মধ্যে কমিশনকে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে, RP Act, 1950-এর ৩২ অনুযায়ী CEO-র অনুমোদনের ভিত্তিতে DEO  সংশ্লিষ্ট BLO-র বিরুদ্ধে FIR-ও দায়ের করাতে পারবেন।

পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন CEO মনোজ আগরওয়াল।