Suvendu on Kalyan: ‘ওর উত্তর পেতে মহুয়া-কাঞ্চনের কাছে যেতে হবে’, পাল্টা কল্যাণের তুলোধনা শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: “ও এখন আমার দয়াতে গ্রেফতার হয়নি। এক ফালতু লোক এটা। যত দাগি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ঢুকিয়েছিল ৫ থেকে ৭ দিন সময় দিন সব লিস্ট আপনাদের সামনে দিয়ে দেব। এত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে নেই। প্রমাণ করে দেব সব।” এ ভাষাতেই শুভেন্দুকে তোপ দেগেছিলেন কল্যাণ। তা নিয়েই যত চাপানউতোর।

কলকাতা: কয়েকদিন আগেই কল্যাণ-সুকান্ত তরজা দেখেছিল বাংলা। চলেছিল চ্যালেঞ্জ পাল্টা চ্যালেঞ্জের খেলা। এবার কল্যাণের নিশানায় শুভেন্দু অধিকারী। ‘রক্ষাকবচ’ উঠতেই বিস্ফোরক মন্তব্য করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতাকে বললেন “পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ”। তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “ও এখন আমার দয়াতে গ্রেফতার হয়নি। এক ফালতু লোক এটা। যত দাগি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ঢুকিয়েছিল ৫ থেকে ৭ দিন সময় দিন সব লিস্ট আপনাদের সামনে দিয়ে দেব। এত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে নেই। প্রমাণ করে দেব সব।”
যদিও কল্যাণের কথায় বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ শুভেন্দু। পাল্টা কটাক্ষ করলেন মদ্যপ বলে। খোঁচার পর খোঁচা দিয়ে বললেন, “আমি পরিষ্কারভাবে বলছি উনি মদ্যপ। উনি যে ধরনের আচরণ করেন, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করেন, যে মুখের ভঙ্গি, বক্রোক্তি করেন তার আমি উত্তর দেব না।” এদিকে সাম্প্রতিককালে মহুয়া-কল্যাণের মধ্যে বেনজির সংঘাত দেখেছে রাজনীতির কারবারিরা। অবস্থা এমনই দাঁড়ায় যে অস্বস্তি চরমে উঠেছে শাসকদলের। যদিও বর্তমানে সেই রেশ কিছুটা থিতিয়ে গেলেও এবার শুভেন্দু সেই ইস্যু টেনে এনেই দিলেন খোঁচা। কটাক্ষ করে বলেন, “কল্যাণের কথার সঠিক উত্তর পেতে গেলে দুজন তৃণমূলের লোকের কাছে যেতে হবে। একজন মহুয়া মৈত্র, অন্যজন কাঞ্চন মল্লিক। এই দুজনই এর কথার উত্তর দিতে পারবে।”
সদ্য বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দেওয়া শুভেন্দুর ‘রক্ষাকবচ’ প্রত্যাহার করে নিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর সিঙ্গল বেঞ্চ। তা নিয়েই তুমুল শোরগোল। ২০২১ সাল থেকে এই রক্ষাকবচই বড় ঢাল হয়ে উঠেছিল শুভেন্দুর ক্ষেত্রে। সেই সময় এক মামলার শুনানির সময় শুভেন্দুর আইনজীবীদের যুক্তি ছিল যদি বিরোধী দলনেতাকে প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়িয়ে ফেলা হয়, একাধিক মামলায় জর্জরিত করা হয় তাহলে তিনি ঠিক করে কাজ করতে পারবেন না। সব সওয়াল জবাবের পরই আদালত জানিয়ে দিয়েছিল বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করার ক্ষেত্রে আগে নিতে হবে আদালতের অনুমতি। যদিও বারবার শুভেন্দুর এই রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল রাজ্য।
