AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sandeshkhali Case in High Court: “একে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বলে”, সন্দেশখালি-কাণ্ডে রাজ্যকে বোঝালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

Sandeshkhali Case in High Court: সন্দেশখালির ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাত জন। মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে সে কথা জানানো হয়েছে আদালতে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এদিন প্রশ্ন করেন, "কেন শাজাহানের বাড়ির ভিতর যায়নি পুলিশ?"

Sandeshkhali Case in High Court: একে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বলে, সন্দেশখালি-কাণ্ডে রাজ্যকে বোঝালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 16, 2024 | 5:23 PM
Share

কলকাতা: সন্দেশখালি-মামলায় রাজ্য তথা পুলিশকে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। তদন্ত কোন পথে এগোচ্ছে, সেটা আদৌ যথাযথ কি না, এবার সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হল পুলিশকে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে চলছে সন্দেশখালি সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মঙ্গলবার সেখানে প্রশ্ন করা হয়, ঘটনার পর পুলিশ শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়েছিলেন কি না। গেলেও বাড়িটা সিল করা হল না কেন, কেন কারও সঙ্গে কথা বলা হল না, সেই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “পুলিশের তদন্তের ধরন পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার মতো মনে হচ্ছে।” পরবর্তীতে ইডি অফিসাররা ওই জায়গায় গেলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে কি না, সেটাও পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছেন বিচারপতি।

সন্দেশখালির ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাত জন। মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে সে কথা জানানো হয়েছে আদালতে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এদিন প্রশ্ন করেন, “কেন শাজাহানের বাড়ির ভিতর যায়নি পুলিশ? সেই বাড়ি সিল করা হয়নি কেন? পাথর দিয়ে আঘাতের কথা জানার পরও লঘু ধারা দেওয়া হল কেন?” বাড়ির সামনে সিসিটিভি বসিয়ে পুরো ঘটনা রেকর্ড করাতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এজি কিশোর দত্ত জানিয়েছেন, গত ৫ জানুয়ারি, ঘটনার দিন শাহজাহানের বাড়িতে গেলেও ভিতরে যাওয়া হয়নি। এ কথা শুনে বিচারপতি বলেন, “বাড়ি সিল করেছেন? কেন ভিতরে যাননি? আপনার কাছে তো ক্ষমতা আছে।” কিশোর দত্ত জানান, ঘটনাস্থল সন্দেশখালির মধ্যে পড়ে না, ন্যাজাট থানার আওতায় পড়ে তাই ওই থানাকে জানানো হয়েছিল। তল্লাশি যে চালানো হয়েছে, সেই রেকর্ড কোথায়, জানতে চান বিচারপতি। এজি জানান, সেদিন রাতেই বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। বিচারপতি আরও প্রশ্ন করেন, “কী পেলেন সেখান থেকে? প্রতিবেশীদের কিছু জিজ্ঞেস করলেন? না বাড়িটা দেখেই চলে এলেন?” রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “এত সিরিয়াস ঘটনা। বাড়িটা সিলও করলেন না? এটাকেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বলে।”

এদিন সিআরপিএফ জওয়ানদের সম্পর্কে রাজ্য জানায়, ৮ টা ২১ মিনিটে তল্লাশি শুরু হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সকাল ৯ টায় প্রাতঃরাশ খেতে দেখা গিয়েছে। এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ইডি। ইডি-র আইনজীবী এস ভি রাজু বলেন, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বানানো গল্প।” আগামিদিনে ওই জায়গায় তল্লাশি চালাতে গেলে পুলিশের সাহায্য পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিচারপতি।

Follow Us