
বাড়িতে বউ রেখে আবার একটা বিয়ে করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ছবি পোস্ট করেন। পরে আবার বিতর্কের মুখে সেই ছবি ডিলিটও করে দেন অভিনেতা-সাংসদ হিরণ চট্টোপাধ্যায়। যদিও ততক্ষণে নববধূ হৃতিকা গিরির সঙ্গে হিরণের ছবি দেখে ফেলেন স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, বেনারসেই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন হিরণ। সেখান থেকেই সামনে এসেছে একাধিক ছবি। তাতেই ঝকঝকে লাল বেনারসিতে দেখা যাচ্ছে হৃতিকাকে। হলুদ পাঞ্জাবিতে ঝলমল করছেন হিরণ।

কোনও ছবি পরিয়ে দিচ্ছেন মালা, আবার কোনও ছবিতে পরাচ্ছেন সিঁদুর। অগ্নিসাক্ষী করে সাতপাকে ঘুরে বিয়ে থেকে সিঁদুরদান, সব মুহূর্তই বন্দি হয়েছে ক্যামেরায়।

যদিও স্ত্রী অনিন্দিতা ধিক্কার জানাচ্ছেন এই বিয়েকে। তাঁর দাবি, তাঁর সঙ্গে বিবাহ-বিচ্ছেদ না করেই বিয়ে করেছেন হিরণ। ঘরে রয়েছে তাঁদের ১৯ বছরের মেয়ে। অনিন্দিতার দাবি, হৃতিকার বয়স এখন ২১। সেখানে হিরণ ৫০ ছুঁইছুঁই।

অনিন্দিতা এও বলছেন, তাঁদের ঘরের সমস্যা খুব একটা বাইরে না এলও তলে তলে ঝামেলা চলছিল অনেকদিন থেকেই। তাঁর সঙ্গে হিরণের বিয়ে হয় ২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর। ২০২৫ সালে ২৫ বছর পূর্ণ হয়। এখনও তাঁদের ডিভোর্স হয়নি।

হিরণের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলছেন, দীর্ঘদিন থেকে আমার আর আমার মেয়ের উপরে মানসিক নির্যাতন চলছিল। আমরা খুব ভদ্র বলে আমরা এতদিন বাইরে বলিনি। আমার মেয়েরও তো একটা ক্যারিয়ার রয়েছে। কিন্তু এখন তো সবই ওপেন।

অনিন্দিতা দেবী যে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত তাও বলেন বারবার। তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, “কতটা অভদ্র হলে এই এখন এই বিয়ের ছবি দেয়। কিন্তু কোনওদিন দেখিনি নিজের মেয়ের ছবি দিয়েছে। তাহলেই ভাবুন মানুষ হিসাবে উনি কেমন।”

“আমি তো ওর পোস্ট থেকেই সবটা জানতে পারলাম। দেখে তো অবাক। হিন্দু মতে তো একটা বিয়ে থাকলে আর একটা বিয়ে হয় না। আমরা তো মুসলিম নই। আর আমার সঙ্গে ডিভোর্স না হলে এই নতুন বিয়ের তো কোনও মূল্যই নেই।” সাফ কথা অনিন্দিতার।