
কলকাতা: অপ্রতিরোধ্য সেলিম, দলের ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েও হুমায়ুনের প্রতি আস্থা বজায় রেখেছেন তিনি। সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই দাবি করলেন ভরতপুরের বিধায়ক। তাঁর কথায়, “ফোনালাপে সেলিম আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন পাশে থাকার।”
এদিন হুমায়ুন বলেন, “বামফ্রন্টের যে সকল নেত্রীবর্গ এসব কথা বলছেন, তাঁরা জানেন না মহম্মদ সেলিম শুধু একটি পাঁচতারা হোটেলেই আমার সঙ্গে দেখা করেননি। আরও অনেক পাঁচতারা হোটেলে দেখা করেছেন। এই সব নিয়ে অনেক সমালোচনার পরেও আমি ওনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি।”
হুমায়ুনের সংযোজন, “সেলিম আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূলকে হারানোর জন্য তিনি আমাদের সঙ্গে থাকবেন। থাকলে ওয়েলকাম, না থাকলেও হুমায়ুনের কিছু যায় আসে না। জনতা উন্নয়ন পার্টি নিজস্ব শক্তিতে ১৮২টি আসনে লড়ার ক্ষমতা অর্জন করেছে।”
জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে এক রাতে নিউটাউনের একটি হোটেলে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। আর সেই বৈঠকের পরেই দলের ভিতরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। সতীর্থদের একাংশই কাঠগড়ায় তুলেছে তাঁকে। এমনকি, এই বৈঠক থেকে দূরত্ব বজায় রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। গোটা বৈঠকটাকেই ‘একান্ত ব্যক্তিগত’ বলে দাগিয়েছে বাম শিবির। জোট আলোচনায় কিছু চূড়ান্ত হওয়ার আগেই কার্যত জট পাকিয়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে হুমায়ুন, তিনি কিন্তু এখানেই ক্ষান্ত হননি। মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে বৈঠকের পর মুর্শিদাবাদে নিজের বাড়িতে মিমের রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কির সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায় তাঁকে। কারণ একটাই! হুমায়ুনের মতে, আসন্ন নির্বাচনে কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। সোমবার তিনি বলেন, “কোনও দলই সংখ্য়াগরিষ্ঠতা পাবে না। ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হবে।”