
কলকাতা: ভোটবঙ্গে সাময়িকভাবে অফিস থেকে কাজ বন্ধ করল আইপ্যাক। আপাতত অফিস নয়, বাড়ি থেকে কাজের জন্য কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আগামী ২০ দিন কর্মীদের অফিসে না আসার নির্দেশ। সূত্রের খবর, আইনি বাধ্য-বাধকতার কথা উল্লেখ করে কর্মীদের অফিসে না আসার কথা বলা হয়েছে। করা হয়েছে ই-মেল। ১১ মে-র পর ফের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। সে কথাই উল্লেখ করা হয়েছে ই-মেলে।
ইতিমধ্যেই কয়লা পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে আইপ্যাকের। চলতি সপ্তাহেই ইডি-র হাতে গ্রেফতার করা হয়েছে আইপ্যাকএর কর্তা কর্তা ভিনেশ চান্ডিলকে। তা নিয়েও জোর শোরগোল চলছে রাজ্য-রাজনীতির আঙিনায়। ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আইপ্যাকের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি।
অন্যদিকে এই মামলায় ইতিমধ্য়েই আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাইকে তলব করেছিল ইডি। তলব প্রতীক জৈনকেও। যদিও ডাক পেতেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রতীক। তিনি জানান, তিনি নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত। তাই দিল্লি নয়, কলকাতায় হাজিরা দেবেন। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। তবে তদন্তকারীদের একইসঙ্গে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে কোনও বাধা নেই। এরইমধ্যে এবার তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থার নতুন সিদ্ধান্তে ভোটবঙ্গে তুমুল শোরগোল।
বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত ভট্টাচার্য বলছেন, “আইপ্যাক একটি বেসরকারি সংস্থা। তাঁরা খাটে বসে কাজ করবে না, নিচে বসে করবে সেটা তাঁদের ব্য়াপার। কিন্তু ভোটকুশলী সংস্থা ভারতে অনেক আছে। আইপ্যাক তাঁদের মধ্যে বড় নাম। কিন্তু যখন কোনও ভোটকুশলী সংস্থা কোনও রাজনৈতিক দলের পার্ট হয়ে যায়, যেভাবে ওদের নাম কয়লা পাচার, কালো টাকায় জড়িয়ে যায় তখন কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।”