Suvendu Adhikari: যাদবপুর অ্যান্টি ন্যাশনাল হাব, আমার উপর হামলা চালিয়েছিল: শুভেন্দু
Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "এরা ভোটের সময় বলে, নোট ভোট টু মোদীজি, নো ভোট টু বিজেপি। যার ফায়দা তৃণমূল পায়।" ভোট রাজনীতির জন্যই প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলে তিনি দাবি করেন।

কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরে তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এরই মাঝে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দেওয়াল লিখনকে ঘিরে বিতর্ক বেধেছে। সেখানে আজাদ কাশ্মীরের স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আর এই নিয়ে এবার সরব হলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অ্যান্টি ন্যাশনাল হাব’ বলে আক্রমণ শানালেন। রাজ্য সরকারকেও তোপ দাগলেন তিনি। একইসঙ্গে বছর দুয়েক আগে যাদবপুরে তাঁর ‘আক্রান্ত’ হওয়ার ঘটনাও টেনে আনলেন।
গত ১ মার্চ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে এখনও উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এরই মাঝে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের কাছে লেখা হয়েছে আজাদ কাশ্মীরের স্লোগান। মুক্ত প্যালেস্তাইনেরও দাবি জানানো হয়েছে। এই দেওয়াল লিখনের নিচে লেখা রয়েছে অতি বাম ছাত্র সংগঠন পিডিএসএফ-র নাম।
এই নিয়ে শুভেন্দু এদিন বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যান্টি ন্যাশনাল হাব। টুকরে টুকরে গ্যাং। এরকম স্লোগান লিখলেও পুলিশ-প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে না।” কিন্তু, প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নেবে না? এই প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু বলেন, “এরা ভোটের সময় বলে, নোট ভোট টু মোদীজি, নো ভোট টু বিজেপি। যার ফায়দা তৃণমূল পায়।” ভোট রাজনীতির জন্যই প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলে তিনি দাবি করেন।
এরপরই যাদবপুরে তাঁর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা টেনে আনেন শুভেন্দু। বলেন, “২০২৩ সালে যাদবপুরে আমার উপর হামলা চালিয়েছিল আরএসএফ। তারা নিজেদের মাওবাদী বলছিল। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। রাত ১১টায় পুলিশমন্ত্রী মমতার নির্দেশে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। আমার বিরুদ্ধে যাদবপুরের ওসি হাইকোর্টে যান। সেই মামলা এখনও চলছে।”
এর আগে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “যাদবপুর তো চিরদিনই মাওবাদীদের আখড়া। ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। কিছু পুরনো লোক রয়েছে, যারা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। আর যারা নতুন ছেলেমেয়েরা যায়, তাদের ওখানে মাথা খাওয়া হয়। দিল্লিতে ওরকম চলেছিল, আজ হিম্মত নেই কিছু করার।”

