EXPLAINED: ‘বয়কটে’ বাড়ছে চাপানউতোর, সমালোচনা করেও কারা তৃণমূলে জায়গা পেয়েছেন?
TMC: যে বয়কট ইস্যুতে শাসকদলে চাপানউতোর বেড়েছে, তার সূত্রপাত হয়েছিল কিছুদিন আগে। আরজি কর কাণ্ডে রাস্তায় নামা শিল্পীদের একাংশকে বয়কটের কথা বলেন কুণাল ঘোষ। তারই জবাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দাও, হটিয়ে দাওয়ের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি যদি তা করতেন, তাহলে অনেকেই তৃণমূলে ফিরতে পারতেন না। কাদের নিশানা করেছেন তিনি? পড়ুন টিভি৯ বাংলার বিশেষ প্রতিবেদন...

কলকাতা: প্রথমে নবীন-প্রবীণ ‘দ্বন্দ্ব’। সেই দ্বন্দ্বের রেশ কাটার আগেই এবার ‘বয়কট’-বিতর্ক। শাসক-বিরোধী আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ নয়। শাসকদল তৃণমূলেই ‘বয়কট’ ইস্যুতে বাড়ছে চাপানউতোর। সরাসরি কারও নাম না নিয়েই কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দাও, হটিয়ে দাওয়ের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি যদি তা করতেন, তাহলে অনেকেই তৃণমূলে ফিরতে পারতেন না।” কাদের নিশানা করেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড? তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলছেন, “সার্বিকভাবে কথাটা বলেছেন অভিষেক।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেও পরে অনেকেই তৃণমূলে ফিরেছেন। আবার তৃণমূল না ছাড়লেও সারদাকাণ্ড নিয়ে কুণালের মন্তব্যকে আজও হাতিয়ার করে বিরোধীরা। কাদের কথা বোঝাতে চাইলেন অভিষেক? শিল্পীদের একাংশকে...
