AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jadavpur University: ‘ওই ১৭ তারিখ আমাকে ফোন করে, আমি ওর সিদ্ধান্তে বাধা দিইনি’, JU -এর ছাত্রীমৃত্যুতে এবার অন্য তত্ত্ব অভিযুক্তের

Jadavpur University: উল্টে ছাত্রীর বাবা-মায়ের দিকেই অভিযোগ করছেন অভিযুক্ত ছাত্র। তিনি বলেন, "আমাদের কিন্তু ট্রু রিলেশনশিপ ছিল। ৪ জানুয়ারি ও আমাকে জানিয়ে দেয়, আর আমার সঙ্গে সম্পর্কে থাকবে না। আমি ওকে চাপ দিই নি। ওর একটা ক্রনিক ডিসঅর্ডার রয়েছে। ১৭ তারিখ ওই আমাকে ফোন করে।"

Jadavpur University: 'ওই ১৭ তারিখ আমাকে ফোন করে, আমি ওর সিদ্ধান্তে বাধা দিইনি', JU -এর ছাত্রীমৃত্যুতে এবার অন্য তত্ত্ব অভিযুক্তের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মৃত্যুতে অভিযুক্ত ছাত্রের বয়ানImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 31, 2024 | 3:57 PM
Share

কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃষ্টিহীন ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ছাত্র (তিনিও দৃষ্টিহীন) তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই ছাত্রীর। অভিযুক্ত ওই ছাত্রের বক্তব্য, ৪ জানুয়ারি দৃষ্টিহীন ছাত্রী জানান, তিনি আর সম্পর্কে থাকবেন না। ১৭ জানুয়ারি ফোন আসে ওই ছাত্রের কাছে। দীর্ঘক্ষণ কথা হয় দু’জনের। অভিযুক্ত ছাত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই ছাত্রী। ছাত্রীর জন্য অভিযুক্তের ছিল ‘ ট্রু লভ’। তিনি অন্তত TV9 বাংলায় তেমনটাই দাবি করেন। উল্টে ছাত্রীর বাবা-মায়ের দিকেই অভিযোগ করছেন অভিযুক্ত ছাত্র। তিনি বলেন, “আমাদের কিন্তু ট্রু রিলেশনশিপ ছিল। ৪ জানুয়ারি ও আমাকে জানিয়ে দেয়, আর আমার সঙ্গে সম্পর্কে থাকবে না। আমি ওকে চাপ দিই নি। ওর একটা ক্রনিক ডিসঅর্ডার রয়েছে। ১৭ তারিখ ওই আমাকে ফোন করে। ভালভাবে কথা বলে। বলে, আমি ঠিক হয়ে গিয়েছি। আমার আর কোনও ওষুধ চলছে না। আমার কাছে গোটা ঘটনার অপ্রত্যাশিত। আমি আমার কাছের একজন মানুষকে হারলাম।”

তবে এই ঘটনার পর থেকে তিনিও মানসিকভাবে বিপর্যয়। বিশ্ববিদ্যালয়েও তাঁকে দোষী কে অনেকে মনে করছেন বলে তিনি জানালেন। ওই ছাত্রের বক্তব্য, “এক মুহূর্তের জন্য আমি কখনও ভাবিনি, ওকে ভুলে যাব, ওকে দূরে সরিয়ে রাখব, কখনও ভাবিনি। এখন আমার কাছে দুদিকেই বিপদ। কারণ আমি আমার কাছের মানুষকে হারিয়েছি। আর ক্যাম্পাসেও আমাকেই দোষী তকমা দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আবারও বলেন, “আমি কোনওভাবেই ওকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দিইনি। আমার দিকে ও ছিল ট্রু লভ! ও মাঝেমধ্যেই বলত, আমি মরেই যাব। সুইসাইড করে নেব। ও খুব ওভার থিঙ্কিং করত। ওর চিকিৎসাও চলছিল।”

অভিযুক্ত ছাত্র স্পষ্ট করেন, “পুলিশ তদন্ত করলেই আসল সত্য সামনে আসবে। এটা আমার জন্যও খুব জরুরি।” প্রসঙ্গত, ১৮ জানুয়ারি মালবাজারের বাড়ি থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, এই অভিযুক্ত ছাত্র ও আরেক গবেষক ছাত্র তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন। যা নিয়ে শোরগোল যাদবপুরে।

বিস্ফোরক অপসারিত উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। তিনি বললেন. ” অ্যান্টি র‌্যাগিং স্কোয়াড করে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্য সংখ্যাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরও এই ঘটনা এড়ানো যেত। তবে এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। এগুলো ম্যানেজ করতে গেলে মনিটারিং করে যেতে হবে। প্রত্যেকটা বর্ষের জন্য হস্টেল আলাদা করে দেওয়া উচিত ছিল।” তিনি আরও বললেন, “যাদবপুরে ড্রাগ অস্বাভাবিক নয়। অন্যায় কাজ যে এখানে চলতে পারে, সেটা অস্বাভাবিক নয়। এখন তদন্তের প্রয়োজন। এখন ছাত্ররা চুপ করে রয়েছেন কেন? আমার মনে হয়, এই ঘটনাকেও অ্যান্টি র‌্যাগিং স্কোয়াডেই পাঠানো উচিত।”

Follow Us