Jadavpur University: কীভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের PHD-তে সুযোগ পেয়েছিলেন, ABVP-কে উত্তর দিলেন শিল্পী আফরিন
ABVP vs SFI: এখানে উল্লেখ্য, শুভব্রত অধিকারী, কেন্দ্রীয় কার্যসমিতির সদস্য আফরিনের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভর্তির অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেন, "বালিগঞ্জের বিধানসভা প্রার্থী আফরিন অবৈধভাবে পিএইডি-তে ভর্তি হয়েছেন। নিজের সাবজেক্টে না পেয়ে যাদবপুরে বেআইনিভাবে পিএইচডিতে অন্য বিষয়ে অ্যাডমিশন নিয়েছেন। পার্থ প্রতিম রায় এই দুর্নীতির মাথা।" এই নিয়েই এবার মুখ খুললেন শিল্পী আফরিন।

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বালিগঞ্জের সিপিআইএম প্রার্থী আফরিন বেগম বেআইনিভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University)-তে ভর্তি হয়েছেন। এমন গুরুতর অভিযোগ করছে ABVP বা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। বেআইনিভাবে পিএইচডিতে (PHD)-তে ভর্তি হয়েছেন তিনি। অবশেষ সেই নিয়ে মুখ খুললেন সিপিএম-এর আফরিন। তাঁর স্পষ্ট উত্তর, যদি কোনও এমন প্রমাণ থাকে তাহলে যে এবিভিপি তাঁর বিরুদ্ধে কোর্টে যায়। সিপিএম নেত্রী সহযোগিতা করবেন।
আফরিন টিভি ৯ বাংলাকে বলেন, “এবিভিপি বা কেউ যদি আমার বিরুদ্ধে,আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিরুদ্ধে,নৈতিকতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলে থাকে,তাহলে বলব আপনাদের কাছে প্রমাণ থাকলে আদালতে যান। আমাদের কাছেও ডেটা আছে,তথ্য আছে,প্রমাণ আছে,আমি সহযোগিতা করব।” এখানেই শেষ নয়, তিনি এও বলেন, “আমার পিএইচডি এডুকেশন-এর বিষয়। যেখানে নেট নয়, অন্য একটি পরীক্ষা দিয়ে পিএইচডি করা যায়,আমিও সেটাই করছি।”
তাঁর প্রশ্ন, “আর আমার ডিপার্টমেন্টে এমন অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে,যাঁরা একই পদ্ধতিতে পড়াশোনা করছে। তবে তারা তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে ছিল, গত সরকারের ঘনিষ্ঠ আর পালাবদলের পর তারা বিজেপির হয়েছে। তাঁদের সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন না তুলে কেন শুধু আমাকে নিয়ে বলা হচ্ছে। আমি বামপন্থী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তাই এমন করা হচ্ছে কী?”
এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত অডিয়ো ভাইরাল প্রসঙ্গে আফরিন বলেন, “ইমনকল্যাণ লাহিড়ী বা চিরঞ্জীব স্যর-সহ একাধিক অধ্যাপককে নিয়েও অনেক অডিয়ো রেকর্ড ভাইরাল করা হচ্ছে। আমি এসবের তীব্র সমালোচনা করছি, বিরোধিতা করছি। যদি কারও সম্পর্কে কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আইনের দ্বারস্থ হওয়া যেতে পারে। তদন্ত করানো হোক। কারণ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাল হলে সেটা সরকার এবং ছাত্র শিক্ষক সকলের জন্যই ভাল। আমরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও বদনাম বা তার সম্পর্কে কোনও খারাপ বার্তা ছড়াতে দেব না।”
এখানে উল্লেখ্য, শুভব্রত অধিকারী, কেন্দ্রীয় কার্যসমিতির সদস্য আফরিনের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভর্তির অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেন, “বালিগঞ্জের বিধানসভা প্রার্থী আফরিন অবৈধভাবে পিএইডি-তে ভর্তি হয়েছেন। নিজের সাবজেক্টে না পেয়ে যাদবপুরে বেআইনিভাবে পিএইচডিতে অন্য বিষয়ে অ্যাডমিশন নিয়েছেন। পার্থ প্রতিম রায় এই দুর্নীতির মাথা।” এই নিয়েই এবার মুখ খুললেন শিল্পী আফরিন।
