Bratya Basu: হাইকোর্টের নির্দেশেই হল কাজ? ব্রাত্য-ওমপ্রকাশদের বিরুদ্ধে মারধর-শ্লীলতাহানির ধারায় FIR পুলিশের
Jadavpur University: গত শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটে তার প্রক্ষিতে প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ইন্দ্রানুজ রায়ের তরফে ইমেল মারফত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়। অভিযোগ, পুলিশ এর প্রেক্ষিতে কোনও মামলা রুজু করেনি।

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ইন্দ্রানুজ রায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর পুলিশের। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের। খুনের চেষ্টা,মহিলাকে মারধর, শ্লীলতাহানি, হুমকি সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু পুলিশের। পুলিশ সূত্রে খবর, ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় ১১৫, ১১৫(২), /৭৪/৩৫১(৩)/১০৯/৩(৫) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
গত শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটে তার প্রক্ষিতে প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ইন্দ্রানুজ রায়ের তরফে ইমেল মারফত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়। তবে অভিযোগ, পুলিশ এর প্রেক্ষিতে কোনও মামলা রুজু করেনি। এরপর বুধবার একটি মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। সেখানে ছাত্রদের হয়ে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “সাত জনের FIR-এ মিথ্যে দাবি করা হয়েছে। ছাত্রদের কোনও এফআইআর নেওয়াই হয়নি। কিন্তু,যাঁরা ছাত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাদের FIR নেওয়া হয়েছে।” এরপরই কেন এফআইআর নেওয়া হয়নি তা রাজ্যের কাছে জানতে চান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। পরবর্তীতে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দেন, আহত ছাত্র ইন্দ্রানুজ রায়ের অভিযোগ FIR হিসাবে নিতে হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, এরপর বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, তাঁর গাড়ির চালক, ওমপ্রকাশ মিশ্র সহ আরও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কয়েকটি ধারাতে এফআইআর রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে মারধর, শ্লীলতাহানি, হুমকি সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ইন্দ্রানুজের বাবা অমিত রায় বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশ। পুলিশ প্রশাসনের উচিত সেই দায়িত্ব পালন করা। আর সেটা পালন না করাই অগণতান্ত্রিক। তবে কোর্ট বুঝিয়ে দিল একটা অংশ যদি অগণতান্ত্রিক কাজ করে তবে এখনও কোর্ট রয়েছে যেখানে বিচার পাওয়া যাবে।”

