Abhishek on Kalyan: ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে মানুষ করেছেন, তাই কটূ কথা বলার অধিকার রয়েছে’, ‘অ্যারোগেন্ট’ অভিষেকের ভোলবদল?
Abhisek on Kalyan Banerjee: কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক।

কলকাতা: ‘অভিষেকের জন্যই দলের সর্বনাশ হয়েছে। মমতাকে বাছতে হবে হয় আমি, নয় অভিষেক।’ একদিন আগেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদা এই কল্যাণই অভিষেকের হয়ে একের পর এক মামলা লড়েছেন। আবার একদিন আগে এই কল্যাণই অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগ এনে অভিষেকের রক্ষাকবচ মামলা থেকে সরেও দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এবার অভিষেকের গলায় কল্যাণকে নিয়ে অন্য সুর।
কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক। উল্টে খানিক কৃতজ্ঞতার সুরে বললেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার।’ কিন্তু কেন? তাও খোলসা করলেন অভিষেক।
এদিন ডিজে মামলার তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। কিন্তু প্রায় আড়াই ঘণ্টা সিআইডিকে অপেক্ষা করিয়ে শেষে বাড়িতে আসেন অভিষেক। সেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে গিয়েই উঠে আসে কল্যাণের প্রসঙ্গ। চেনা ছন্দ, স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গি থেকে খানিক সরে অভিষেক বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন। বড় হতে দেখেছেন।” এরপরই দরজা কণ্ঠে তাঁর সংযোজন, “আমি ওনার কথা খারাপ ভাবে নিই না। ওনার হয়তো কোনও ঘটনা খারাপ লাগতে পারে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত ক্রোধ বা ক্ষোভ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নিয়ে নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, আগামীতেও করব।”
