
কলকাতা: এসআইআর (SIR) পর্বে এমন প্রচুর ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে দেখা গিয়েছে বাবা মায়ের বয়েসের পার্থক্য সন্তানের চেয়ে কম। আর তা বেশি দেখা গেল দক্ষিণবঙ্গে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদ বা নদিয়ার চেয়ে এগিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। আবার ছয় বা তার বেশি সন্তান আছে এমন সংখ্যা মুর্শিদাবাদে নয় লক্ষের বেশি। শাসকদলের অবশ্য যুক্তি, এসব এআই AI নির্ভর তথ্য। তারা আমল দিতে চায় না।
জানা যাচ্ছে, গোটা রাজ্যের লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির হার তিন জেলা মিলেয়েই ৩৬ শতাংশ। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ সবার প্রথমে। সেখানে ১ লক্ষ ৬৭২ হাজার ১২৩ জনের নাম রয়েছে ডিসক্রিপেন্সিতে। এরপর রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। সেখানে ১ লক্ষ ৪৮৭ হাজার ৪৮ জনের নাম লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে। আর এরপর উত্তর ২৪ পরগনায় ১ লক্ষ ১০০ হাজার ৭৮৩ জনের নাম লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে,হাওড়া জেলায় বাবার নাম অমিল থাকার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৭ ১৭ জন। মোট সন্তান রয়েছেন, ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৪ জন। স্বাভাবিকভাবেই ’কলকাতা’ উত্তর এবং দক্ষিণ—মোট অসঙ্গতির সংখ্যা অন্যান্য বড় জেলাগুলোর তুলনায় অনেক কম।
বাংলার এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইতিমধ্যেই মামলা হয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকায় উঠে আসছে পদবীর রকমফেরের বিভ্রাট। প্রধান বিচারপতির এজলাসে এই ইস্যু তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিদিন এভাবে নতুন করে আবেদন হওয়ায় বিরক্ত প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। প্রধান বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, “রোজ নতুন করে আইএ ফাইল হচ্ছ, আসলে গোটা প্রক্রিয়াটাকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা।”