Pratik Ur Rahaman: আয় শূন্য, জানেন ক’টা বাড়ি-গাড়ির মালিক প্রতীক উর রহমান?
CPIM: বয়স ৩৬-এর আশপাশে। ছাত্র রাজনীতি থেকে উত্থান। ডায়মন্ড হারবারের ফকিরচাঁদ কলেজের ছাত্র ছিলেন তিনি। এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ সামলেছেন একসময়। পারিবারিক ব্যবসা থাকলেও প্রতীক উর দলের (সিপিএম) কাজেই নিয়োজিত ছিলেন। লোকসভা ভোটের হলফনামায় যে তথ্য উল্লেখ করা হয়, তাতে, প্রতীক উরের সম্পত্তি বলতে তেমন কিছুই নেই।

কলকাতা: গত লোকসভা নির্বাচনে হাই প্রোফাইল কেন্দ্রে তাঁকে টিকিট দিয়েছিল সিপিএম। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটে লড়েছিলেন তিনি। ঠিক ২ বছরের মধ্যেই বদলে যাচ্ছে সেই প্রতীক উর রহমানের রাজনৈতিক অবস্থান। দলের একদা ভরসার মুখ আজ দল ছেড়েছেন এক চিঠিতেই। শুধু তাই নয়, তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনাও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। বামেদের তরুণ ব্রিগেডে সদস্য এবার তৃণমূলের যুব-মুখ? ভোটের টিকিটও পেতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। জানেন কত সম্পত্তির মালিক সেই প্রতীক-উর রহমান?
ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা প্রতীক উর রহমান। বয়স ৩৬-এর আশপাশে। ছাত্র রাজনীতি থেকে উত্থান। ডায়মন্ড হারবারের ফকিরচাঁদ কলেজের ছাত্র ছিলেন তিনি। এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ সামলেছেন একসময়। পারিবারিক ব্যবসা থাকলেও প্রতীক উর দলের (সিপিএম) কাজেই নিয়োজিত ছিলেন। লোকসভা ভোটের হলফনামায় যে তথ্য উল্লেখ করা হয়, তাতে, প্রতীক উরের সম্পত্তি বলতে তেমন কিছুই নেই।
হলফনামায় প্রতীক উর রহমানের আয়ের খাতা শূন্য। বিগত পাঁচ বছরের কোনও আয়ের হিসেব দেননি সিপিএম প্রার্থী। তাঁর স্ত্রী সিরিন সুলতানারও কোনও আয়ের কথা উল্লেখ নেই হলফনামায়। প্রতীক উর ও সিরিন উভয়ের হাতেই ছিল নগদ ১০০০ টাকা করে।
দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার রাখার কথা উল্লেখ করেছিলেন প্রতীক উর। প্রথম অ্যাকাউন্টে ছিল ৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৮৪ টাকা যা নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা বলে জানিয়েছেন প্রতীক উর। অপর অ্যাকাউন্টে আছে ৭ হাজার ৫১১ টাকা। তাঁর স্ত্রীর একটি অ্যাকাউন্টে ৪ হাজার টাকা ও অপর অ্যাকাউন্টে ১৭ হাজার ৬০০ টাকা আছে। কোনও বিমা বা পলিসিতে বিনিয়োগ করেননি তাঁরা।
প্রতীক উর রহমানের কোনও গাড়ি নেই। নেই কোনও সোনা বা মূল্যবান জিনিস। তাঁর স্ত্রীর কাছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সোনা আছে। সব মিলিয়ে প্রতীক উরের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৬ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৫৯ টাকা। তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৭৫ হাজার টাকা। কোনও জমি বা বাড়ি নেই প্রতীক উরের, নেই কোনও ঋণও। হলফনামায় প্রতীক উর নিজেকে সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন, আর তাঁর স্ত্রী গৃহবধূ। আয়ের উৎস হিসেবে সেই সময় দলের দেওয়া ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
