Kolkata Fire: আনন্দপুরে ফিরল বড়বাজারের স্মৃতি! শেষ ১৮ বছরে জতুগৃহ কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছেন ক’জন?
Kolkata Fire: স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অন্ততপক্ষে ভিতরে ৩০ জন আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কাল ধোঁয়ায় ঢেকেছে এলাকা, নাক ঝাঝিয়ে দেওয়া পোড়া গন্ধ, কঙ্কালসার কারখানার বাইরে স্বজনহারাদের কান্না, এক রাশ উৎকন্ঠা নিয়ে নিখোঁজদের পরিজনদের ভিড়- আনন্দপুরে ফিরল বাগরি-নন্দরাম মার্কেটের ছবি!

কলকাতা: ভোর রাত থেকে জ্বলছে আনন্দপুরের মোমো কারখানা। সোমবার বেলা ২ টো পর্যন্তও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দমকল আধিকারিকরাই বলছেন, ভিতরে আরও তিন জায়গায় পকেট ফায়ার দেখতে পাচ্ছেন তাঁরা। আগুনে ঝলসে ইতিমধ্যেই ৩ জনের মৃ্ত্যুর খবর সামনে এসেছে। নিখোঁজের সংখ্যা বাড়ছে ক্রমেই। এখনও পর্যন্ত ১৬ জন নিখোঁজের নাম নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অন্ততপক্ষে ভিতরে ৩০ জন আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কাল ধোঁয়ায় ঢেকেছে এলাকা, নাক ঝাঝিয়ে দেওয়া পোড়া গন্ধ, কঙ্কালসার কারখানার বাইরে স্বজনহারাদের কান্না, এক রাশ উৎকন্ঠা নিয়ে নিখোঁজদের পরিজনদের ভিড়- আনন্দপুরে ফিরল বাগরি-নন্দরাম মার্কেটের ছবি!
২০০৮ সালের পর শেষ কয়েক বছরের কলকাতা বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী!
১২ জানুয়ারি, ২০০৮ সাল
বড়বাজারের নন্দরাম মার্কেটে বিধ্বংসী আগুন
ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যায় বাড়ির সাতটি , পুড়ে ছাই হয়ে যায় হাজারেও বেশি দোকান।
১৬ অগস্ট, ২০০৮
সোদপুর রেডিমেড গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ড। প্রায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন শ্রমিক, বেশ কয়েকজন দোকানের ক্রেতাও ছিলেন।
২৩ মার্চ, ২০১০
স্টিফেন কোর্টে ভয়াবহ আগুন লাগে। বেরোতে না পেরে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৪৩ জনের।
৯ ডিসেম্বর, ২০১১
দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় আমরি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড। ৯০ জনেরও বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
সূর্য সেন স্ট্রিট (নন্দরাম মার্কেট) আগুন। ১৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। মার্কেটের গুদামে শর্ট সার্কিটের জেরে আগুন লাগে বলে দমকল জানায়।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
বাগরি মার্কেটে চার দিন ধরে চলে ভয়াবহ আগুন, প্রায় ১০০০টি দোকান পুড়ে ছাই।
২৯ এপ্রিল, ২০২৫
বড়বাজার (মেছুয়া বাজার)-এ একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুন লেগে কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে শিশুও ছিল। প্রায় ৫০ জন অতিথি ভবনে ছিলেন, বহু লোক ধোঁয়ায় আটকা পড়ে, সেখানে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু।
