জোড়াবাগান কাণ্ড: সিঁড়িতে ভাঙা দুধে দাঁত, গলা কাটার আগে চলে অকথ্য অত্যাচার

বৃহস্পতিবার সকাল মামাবাড়ির ঠিক পাশের বাড়ির সিঁড়িতেই শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি. গায়ে কোন জামা ছিল না তার। গলার নলি কাটা ছিল।

| Edited By: সায়নী জোয়ারদার

Feb 05, 2021 | 8:09 AM

কলকাতা: ছাদের ওঠার আগে আর তিনটে সিঁড়ি বাকি। সেখানেই পড়ে ছিল ছোট্ট শরীরটা। রক্তাক্ত। শরীরটা নিয়ে চলে গিয়েছে পুলিশ। তবে এখনও সেই সিঁড়িতে পড়ে রয়েছে চাপ চাপ রক্ত। পড়ে ছিল আরও সেই ছোট্ট ন’বছরের শিশুটির শরীরের অনেক কিছুই, যা প্রাথমিকভাবে চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল অনেকের। হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দাদের নজর এড়াল না। মিলল ভাঙা দুধে দাঁতের টুকরো, চুড়ি। তদন্তকারীরা বলছেন, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অনেকটা কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে ছোট্ট মেয়েটিকে। তাঁকে গলা কেটে খুন করার আগে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছিল ওই শিশুটিকে। যৌন নিগ্রহে বাধা পেয়েই মারধর বলে অনুমান পুলিশের। জোড়াবাগানে  নারকীয় হত্যাকাণ্ডের (Jorabagan Child Murder Case) নেপথ্যে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সোমবারই মামাবাড়ি বেড়াতে এসেছিল ছোট্ট মেয়েটি। বুধবার মামাবাড়ির সামনেই পাড়ার অন্যান্য বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছিল সে। আচমকাই তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য সমস্ত জায়গাতেই খোঁজেন তাঁরা। তারপর যান থানায়। শিশুর আত্মীয়ের অভিযোগ, পুলিশ নাকি তাঁদের বলেছিলেন ২৪ ঘণ্টার আগে কিছু করা যাবে না।

তারইমধ্যে রাতভর বাড়ির লোকরাই খোঁজ চালিয়ে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল মামাবাড়ির ঠিক পাশের বাড়ির সিঁড়িতেই শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি. গায়ে কোন জামা ছিল না তার। গলার নলি কাটা ছিল। বিভৎস সেই দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছিলেন প্রত্যেকেই। ফের খবর যায় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। পুলিশকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। দুধের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতিতে শিউরে উঠছে গোটা শহর।


ফরেনসিক টিম তদন্তে নেমেছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ মনে করছে, পরিচিত কেউই এই কাজ করেছে। কারণ পাশের বাড়ির চার তলার যে সিঁড়ি থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার নীচের তলাগুলিতেই আবাসিকরা থাকেন। কোনও অপরিচিতের পক্ষে হঠাৎ করে ওই বাড়িতে ঢুকে যাওয়া সম্ভব নয়। পরিবারের লোকেরা এখনও কাউকে সন্দেহ করতে পারছেন না। তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন: ৯ বছরের শিশুর নগ্ন গলা কাটা দেহ উদ্ধার, রণক্ষেত্র জোড়াবাগান

পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, শেষবার ওই শিশুটিকে কার সঙ্গে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আপাতত এলাকারই একটি শিশুর সঙ্গে কথা বলেছেন পুলিশকর্তারা। কারণ তারই সঙ্গে খেলছিল এই শিশুটি।

কলকাতা: ছাদের ওঠার আগে আর তিনটে সিঁড়ি বাকি। সেখানেই পড়ে ছিল ছোট্ট শরীরটা। রক্তাক্ত। শরীরটা নিয়ে চলে গিয়েছে পুলিশ। তবে এখনও সেই সিঁড়িতে পড়ে রয়েছে চাপ চাপ রক্ত। পড়ে ছিল আরও সেই ছোট্ট ন’বছরের শিশুটির শরীরের অনেক কিছুই, যা প্রাথমিকভাবে চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল অনেকের। হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দাদের নজর এড়াল না। মিলল ভাঙা দুধে দাঁতের টুকরো, চুড়ি। তদন্তকারীরা বলছেন, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অনেকটা কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে ছোট্ট মেয়েটিকে। তাঁকে গলা কেটে খুন করার আগে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছিল ওই শিশুটিকে। যৌন নিগ্রহে বাধা পেয়েই মারধর বলে অনুমান পুলিশের। জোড়াবাগানে  নারকীয় হত্যাকাণ্ডের (Jorabagan Child Murder Case) নেপথ্যে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সোমবারই মামাবাড়ি বেড়াতে এসেছিল ছোট্ট মেয়েটি। বুধবার মামাবাড়ির সামনেই পাড়ার অন্যান্য বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছিল সে। আচমকাই তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য সমস্ত জায়গাতেই খোঁজেন তাঁরা। তারপর যান থানায়। শিশুর আত্মীয়ের অভিযোগ, পুলিশ নাকি তাঁদের বলেছিলেন ২৪ ঘণ্টার আগে কিছু করা যাবে না।

তারইমধ্যে রাতভর বাড়ির লোকরাই খোঁজ চালিয়ে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল মামাবাড়ির ঠিক পাশের বাড়ির সিঁড়িতেই শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি. গায়ে কোন জামা ছিল না তার। গলার নলি কাটা ছিল। বিভৎস সেই দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছিলেন প্রত্যেকেই। ফের খবর যায় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। পুলিশকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। দুধের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতিতে শিউরে উঠছে গোটা শহর।


ফরেনসিক টিম তদন্তে নেমেছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ মনে করছে, পরিচিত কেউই এই কাজ করেছে। কারণ পাশের বাড়ির চার তলার যে সিঁড়ি থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার নীচের তলাগুলিতেই আবাসিকরা থাকেন। কোনও অপরিচিতের পক্ষে হঠাৎ করে ওই বাড়িতে ঢুকে যাওয়া সম্ভব নয়। পরিবারের লোকেরা এখনও কাউকে সন্দেহ করতে পারছেন না। তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন: ৯ বছরের শিশুর নগ্ন গলা কাটা দেহ উদ্ধার, রণক্ষেত্র জোড়াবাগান

পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, শেষবার ওই শিশুটিকে কার সঙ্গে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আপাতত এলাকারই একটি শিশুর সঙ্গে কথা বলেছেন পুলিশকর্তারা। কারণ তারই সঙ্গে খেলছিল এই শিশুটি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us