Kunal Ghosh at Bidhansabha: ‘এরকম ঘটনার স্বাক্ষী আগে হইনি’, স্পিকারের ঘরের সামনে বসে পড়েছিলেন দুই বিধায়ক
TMC on Speaker: স্পিকারের বিরুদ্ধে সরব হন কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, "আমরা পরিষদীয় দলের বৈঠক করতে পারছি না, ঘর নেই বলে। স্পিকার বসে আছেন, অথচ দেখা করলেন না। বিজেপির সৌজন্য-রাজনীতির মুখোশ খসে পড়ে গিয়েছে। শোভনদেব বাবু দুই ঘণ্টা বসে ছিলেন।"

কলকাতা: বিরোধী বিধায়কদের ঘর খোলা হয়নি এখনও। রাজ্য বিধানসভা কর্তৃপক্ষের যুক্তি, ওই ঘর সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, তাই খোলা হচ্ছে না। সংস্কারের কাজ হয়ে গেলেই বিরোধীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এরই মধ্যে বিধানসভার মধ্যে দেখা গেল এক বেনজির ছবি। স্পিকারের ঘরের সামনে বসে পড়লেন দুই বিধায়ক।
তৃণমূলের মোট ৮০ জন বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের ঘর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই বিষয়ে কথা বলতেই এদিন গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর ঘরের সামনে গেলেও স্পিকার সময় দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ইস্যুতে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তারপর রেজ্যুলেশন চাইলো। ৭০ জনের স্বাক্ষর করা চিঠি দেওয়া হল। এখনও ঘর দিচ্ছে না। আমরা আজ পাঁচ মিনিটের জন্য দেখা করতে চাই। স্পিকার দেখা করলেন না। বললেন সময় নেই। আমরা স্পিকারের ঘরের বাইরে বসে আছি। দেখি ছুটে পালালেন স্পিকার। এরকম কোনও ঘটনার স্বাক্ষী আগে হয়নি।”
স্পিকারের বিরুদ্ধে সরব হন কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, “আমরা পরিষদীয় দলের বৈঠক করতে পারছি না, ঘর নেই বলে। স্পিকার বসে আছেন, অথচ দেখা করলেন না। বিজেপির সৌজন্য-রাজনীতির মুখোশ খসে পড়ে গিয়েছে। শোভনদেব বাবু দুই ঘণ্টা বসে ছিলেন।” এই অভিযোগ নিয়ে স্পিকারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
