LPG Supply: ভারতের LPG আমদানিতে বড় বদল! কী জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?
Hardeep Singh Puri on LPG Supply: হরদীপ সিং পুরী জানান, চলতি বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় সরকার আমেরিকা থেকে মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক ছিল না। তাঁর কথায়, সেই সময় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, যখন ভারতের কাছাকাছি একাধিক দেশ এলপিজি সরবরাহ করছে, তখন এত দূরের দেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন কী? তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই বদলে গিয়েছে।

নয়া দিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ (West Asia Conflict) পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাসে ভারতের এলপিজি আমদানিতে (LPG Import) বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে ভারতের এলপিজি আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস হয়ে উঠেছে আমেরিকা। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri)। তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে আমেরিকা থেকে দেশের মোট এলপিজি (LPG) চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ আমদানির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এখন সেই পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ভারতের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৬৭ শতাংশই এখন আমেরিকা থেকে আসছে।
কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?
হরদীপ সিং পুরী জানান, চলতি বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় সরকার আমেরিকা থেকে মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক ছিল না। তাঁর কথায়, সেই সময় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, যখন ভারতের কাছাকাছি একাধিক দেশ এলপিজি সরবরাহ করছে, তখন এত দূরের দেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন কী? তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই বদলে গিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “আজ আমি জানাতে পেরে খুশি যে, ভারতের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৬৭ শতাংশই এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে।”
বদলেছে আমদানির উৎস
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, অল্প সময়ের মধ্যেই ভারতের এলপিজি আমদানির উৎসে বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। যদিও ভারত এখনও একাধিক দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল এবং এলপিজি আমদানি করে। তবুও এলপিজির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় সরবরাহকারী দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, ভারত তার জ্বালানির চাহিদার বড় অংশই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। বিশেষ করে রান্নার গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত এলপিজির ক্ষেত্রে সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং কোনও একটি অঞ্চল বা দেশের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে বিভিন্ন উৎস থেকে আমদানির কৌশল নেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,ভারত জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে চাইছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দিকেই জোর দিচ্ছে।
