West Bengal Interim Budget: লক্ষ্মীর ভান্ডারের দেড় হাজার নয়, বিজেপি দেবে ৩ হাজার! ‘ঘোষণা’ শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অর্থাৎ ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতিরা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

West Bengal Interim Budget: লক্ষ্মীর ভান্ডারের দেড় হাজার নয়, বিজেপি দেবে ৩ হাজার! ঘোষণা শুভেন্দুর
রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Feb 05, 2026 | 3:45 PM

কলকাতা: ভাতার পাল্টা ভাতা। দেড় হাজারের পরিবর্তে তিন হাজারের প্রতিশ্রুতি। শুধু ক্ষমতার বদল ঘটাতে হবে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতেই দেখা গিয়েছে, ‘জনমোহিনী’ প্রকল্পের জোয়ার। ‘কল্পতরু’ হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

ভোটের আগের শেষ বাজেটে নারী ভোটব্য়াঙ্কেই আবার দাঁত ফুটিয়ে দিল তৃণমূল, মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অর্থাৎ ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতিরা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

কিন্তু শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করে দেবে। এদিন বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব।’ লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে রাজ্যের নেওয়া সিদ্ধান্ত নির্বাচন মাথায় রেখেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

তাঁর মতে, ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মীর ভান্ডার আইপ্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্য়ে ঢুকিয়ে দেবে। অসৎ উদ্দেশেই এই ভোট-অন-অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। আর গোয়াতে ওরা মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলেছিল, কিন্তু বাংলায় মহিলাদের দেড় হাজার টাকা দেয়, কেন? আমি অধিবেশনে প্রশ্ন তুলেছি।’