e

কলকাতা: আগামী সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষায় বসছেন প্রায় সাড়ে ২ লক্ষ পরীক্ষার্থী। রাজ্য জুড়ে কয়েক হাজার সেন্টারে হবে পরীক্ষা। প্রস্তুতি প্রায় শেষ। যেসব শিক্ষক বা শিক্ষিকার পরীক্ষায় গার্ড দেওয়ার কথা, তাঁরা আদৌ আসতে পারবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কতজন বিএলও হিসেবে কাজ করছেন, তাঁরা মাধ্যমিক পরীক্ষার কাজে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বোর্ড। কমিশনের তরফ থেকে কোনও উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আগেই জানিয়েছিলেন যে বিএলও নিয়োগ করার কথা রাজ্যকে জানানো হয়নি। মাধ্যমিক পরীক্ষা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আগেই সংশয় প্রকাশ করেছিল পর্ষদ। শিক্ষকদের যাতে কমিশনের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, সেই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল পর্ষদের তরফে। পর্ষদের সেই চিঠিকে সমর্থনও জানিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। এবার ফের চিঠি দিল পর্ষদ।
২ মাসে পরপর ২টি চিঠি দিয়েছে পর্ষদ। পর্ষদ সূত্রে খবর, কোনও চিঠিরই উত্তর আসেনি। কোনও চিঠিই আসেনি বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের। জানা গিয়েছে, গোটা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ৫২ হাজার শিক্ষক। এদিকে পর্ষদের কাছে এখনও কোনও নিশ্চয়তাই নেই। ফলে , পরীক্ষায় একদিন আগেও মুখোমুখি সংঘাতে পর্ষদ ও নির্বাচন কমিশন।
শিক্ষকরা বিএলওর কাজ করলে মাধ্যমিক পরীক্ষায় গার্ড দেবেন কারা? প্রশ্ন তুলেছেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের পূর্ণ সময়ের জন্য় ছাড়তে হবে।
এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা রাজ্য আর পর্ষদের ভিতরের ব্যাপার। এ ব্যাপারে বেশি কথা বলতে চাই না। তবে, তৃণমূলের উদ্দেশ্য হল, যে কোনও প্রকারে এসআইআর বন্ধ করা।”