e

কলকাতা: আগামী সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে মাধ্য়মিক পরীক্ষা। একাধারে আবার চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক-শিক্ষিকার ব্যস্ত রয়েছেন এসআইআর-এর কাজে। আর শুধুই শিক্ষকরা নন, নিবিড় পরিমার্জনের কাজে স্কুল পরিদর্শকদেরও জুড়ে দিয়েছিল কমিশন। তাঁদের অ্যাসিস্টেন্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা এইআরও হিসাবে নিয়োগ করেছিল তাঁরা। সেই থেকেই শুরু উদ্বেগ। সামনে আবার মাধ্যমিক। ফলত প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে সামাল দেওয়া হবে পরীক্ষা?
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কলকাতা দক্ষিণ, বিশেষ করে রাসবিহারী, ভবানীপুর, বালিগঞ্জে শুনানির কাজ একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে, তবে সামান্য বাকি রয়েছে বন্দর এলাকায়। এ তো গেল শহরের কথা। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, মাদারিহাট এবং ফালাকাটাতেও শুনানি শেষ। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির হিসাব মেলেনি। সেখানেও শুনানির কাজ বেশ কিছু এলাকায় প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তাও উদ্বেগ রয়েছে।
আর সেই উদ্বেগের জেরেই সম্প্রতি মাধ্যমিক পর্ষদ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল রাজ্য়ের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের দফতরে। অবশ্য পর্ষদ সূত্রে খবর, একটি নয় পরপর দু’টি চিঠি। এই আকাল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকেও। তিনি জানিয়েছিলেন, বিএলও নিয়োগ করার কথা রাজ্যকে জানানো হয়নি। ফলত মাধ্যমিক পরীক্ষা কীভাবে চলবে তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছিল। এমনকি, পর্ষদের সেই চিঠিকে সমর্থনও জানিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। তবে সংশয়ের কোনও জায়গা নেই বলেই মত রাজ্যের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের দফতেরর।
সূত্রের খবর, সিইও দফতর জানিয়েছে, স্কুল পরিদর্শক বা এইআরও-র কাজে নিযুক্তদের মধ্য়ে অনেকের কাজ শেষ বা শেষের পথে। তাই এই বিষয়ে জেলাশাসকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে সিইও দফতর। তাঁরা চাইলেই এইআরও পরিবর্তন করতে পারেন, গোটা সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত। এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কোনও ভূমিকা নেই বলেই জানান হয়েছে।