AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee: ১৯৯৭ সালের ‘ইন্ডোর-আউটডোর’ প্ল্যানে এবার খেলবেন মমতা, কী এই ‘ইন্ডোর-আউটডোর’ প্ল্যান?

Mamata Banerjee Recalls 1997 Political Struggle: কর্মী-সমর্থকদের বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, "আমাদের আজ থেকে পথচলা শুরু হল। এই আন্দোলনে যাঁরা থাকবেন ভালো। যাঁরা থাকবেন না, তাঁরা ঘরে বসে থাকুন। আমাদের দরকার নেই। আমরা নতুন কমিটি করব। নেতারা গিয়েছে, কর্মীরা যায়নি। আমাদের দল থাকছে এবং থাকবে।"

Mamata Banerjee: ১৯৯৭ সালের 'ইন্ডোর-আউটডোর' প্ল্যানে এবার খেলবেন মমতা, কী এই 'ইন্ডোর-আউটডোর' প্ল্যান?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 21, 2026 | 4:18 PM
Share

কলকাতা: তৃণমূলের এখন দুই শিবির। আসল তৃণমূল কারা? কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের লড়াই পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। একইসঙ্গে ১৯৯৭ সালে কংগ্রেসের ইন্ডোর-আউটডোর সভার প্রসঙ্গও তুলে ধরলেন তিনি। তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন বলে দাবি করলেন।

কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

এদিন কালীঘাট তৃণমূল বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শহিদ দিবস পালন করে। সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড় দেখিয়ে মমতা বলেন, “টাকা দিয়ে কাউকে আনতে হয়নি। চলে এসেছেন প্রাণের টানে। হৃদয়ের টানে। আটকাতে পারলে আটকান। আমি যদি থাকি আর আমার টিম যদি থাকে, আমরা আপনাদের ধরাশায়ী করে ছাড়ব। চোর-ডাকাত-গদ্দারদের ছেড়ে কথা বলব না। এবার ব্যাট বলের খেলা হবে।”

তৃণমূলের বিদ্রোহীদের নিশানা করে মমতা বলেন, “আমাদের কয়েকটা নির্দিষ্ট লোক, করে খেয়েছে, আর আজকে বিজেপি তাদের রক্ষাকবচ হয়েছে। আমি তাদের বলে রাখি, পাড়ার লোকেরা আপনাদের বেরতে দিচ্ছে না। পুলিশ নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে। আর আমার কোনও সিকিউরিটি নেই। আপনারা আমার সিকিউরিটি। আসল তৃণমূল আমরা। নতুন করে বলার দরকার নেই। সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দিলেই অস্তিত্ব রক্ষা হয় না। ওটা বিজেপির সাইন বোর্ড।”

১৯৯৭ সালের কংগ্রেসের ইন্ডোর-আউটডোর সভার কথা মমতার মুখে-

তৃণমূলের সূচনালগ্নের কথা স্মরণ করিয়ে মমতা বলেন, “মনে আছে ১৯৯৭ সাল। আমরা ইন্ডোর-আউটডোর করেছিলাম। কতদিনের মাথায় ভোটে গিয়েছিলাম? তখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ছিল না। মাত্র ১ মাস ২২ দিনের মধ্যে। তাতে সাতটা সিট পেয়েছিলাম। ২০০৪-এ আমি একা ছিলাম। তারপর সিঙ্গুর নিয়ে ২৫-২৬ দিন অনশন করেছিলাম। অনেক আন্দোলন করেছিলাম। তারপর আস্তে আস্তে মানুষ বুঝেছেন।”

কর্মী-সমর্থকদের বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, “আমাদের আজ থেকে পথচলা শুরু হল। এই আন্দোলনে যাঁরা থাকবেন ভালো। যাঁরা থাকবেন না, তাঁরা ঘরে বসে থাকুন। আমাদের দরকার নেই। আমরা নতুন কমিটি করব। নেতারা গিয়েছে, কর্মীরা যায়নি। আমাদের দল থাকছে এবং থাকবে। যদি কেউ বেইমানি করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে আমরাও ছিনিয়ে নেব। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। যখন তৃণমূল করেছিলাম, তখন আমরা দু’জন প্রাক্তন সাংসদ ছিলাম। এখন তো অনেকটাই আছে।”

১৯৯৭ সালে কংগ্রেসের ইন্ডোর-আউটডোর সভায় কী হয়েছিল?

১৯৯৭ সালে তখনও কংগ্রেসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে মমতার দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছিল। সেইসময় ১৯৯৭ সালের অগস্টে কলকাতায় কংগ্রেসের প্লেনারি অধিবেশন হয়। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কংগ্রেসের সভা হয়েছিল। আর মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁর অনুগামী কর্মীদের নিয়ে জনসভা করেন মমতা। ইন্ডোর প্রায় ফাঁকা ছিল। এবং আউটডোরে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ওই বছরের ডিসেম্বরে মমতাকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়। তারপরই ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন মমতা।

Follow Us