TMC Worker Murder: পাত্রসায়েরে খুন তৃণমূল কর্মী, নেপথ্যে পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কিছু? তদন্তে পুলিশ
TMC Worker in Bankura: বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানার মুক্তাপুর গ্রামের বাসিন্দা কার্তিক ঘোষ একসময় এলাকার দাপুটে তৃণমূল কর্মী ছিলেন। বার্ধক্যের কারণে বছর দুয়েক আগে থেকেই রাজনীতিতে ততটা সক্রিয় ছিলেন না তিনি। বছর খানেক আগে থেকে গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ বাধে তাঁর।

বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানার মুক্তাপুর গ্রামে খুন তৃণমূল কর্মী। মৃতের নাম কার্তিক ঘোষ। সোমবার রাতে বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে গ্রামেরই কয়েকজন তাঁকে রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত হামলাকারীরা বিজেপি কর্মী বলে দাবি মৃতের পরিবারের। যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান এই খুনের পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। অন্যদিকে জমি-জমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই খুন বলে দাবি বিজেপির।
বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানার মুক্তাপুর গ্রামের বাসিন্দা কার্তিক ঘোষ একসময় এলাকার দাপুটে তৃণমূল কর্মী ছিলেন। বার্ধক্যের কারণে বছর দুয়েক আগে থেকেই রাজনীতিতে ততটা সক্রিয় ছিলেন না তিনি। বছর খানেক আগে থেকে গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ বাধে তাঁর। সেই বিবাদ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একাধিকবার পাত্রসায়ের থানায় মীমাংসাও হয়। কিন্তু তারপরেও বিবাদ থামেনি।
অভিযোগ সোমবার রাতে কার্তিক ঘোষ যখন বাড়িতে ফিরছিলেন সেই সময় বাড়ির অদূরে খামারের কাছে স্থানীয় কয়েকজন শাবল ও লোহার রড নিয়ে কার্তিক ঘোষের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। মেরে তাঁর হাত পা ভেঙে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের পরিবারের দাবি হামলাকারীরা সকলেই বিজেপি সমর্থক। খুনিদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃতের পরিবার। বিজেপির দাবি এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস যদিও বলছেন, এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারাই যুক্ত থাকুক না কেন তাদের জন্য আইন আইনের পথে চলবে।
